আখাউড়া সীমান্তে নিখোঁজ কিশোরের মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি ফেরত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর ভারতের ভূখণ্ডে পাওয়া ১৪ বছর বয়সী কিশোর মো. শাকিলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রোববার বিকেলে বিজিবি ও বিএসএফের যৌথ আলোচনার মাধ্যমে প্রশাসনিক সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং আখাউড়া থানা পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহত শাকিল আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী আব্দুল্লাহপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল বাশার ভূঁইয়া ওরফে মালু মিয়ার ছেলে।

পরিবারের ভাষ্যমতে, মানসিকভাবে অসুস্থ শাকিল গত শুক্রবার বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যরা এলাকায় মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। অবশেষে শনিবার রাতে দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর সীমান্তের ভারতীয় অংশের লংকা মোড়া এলাকায় কিশোরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পরিবারের স্বজনরা মরদেহটি শাকিলের বলে শনাক্ত করেন।

মরদেহটি ভারতীয় সীমানার অভ্যন্তরে থাকায় হস্তান্তরের বিষয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ জানান, মরদেহটি ভারতীয় সীমান্তে পাওয়ায় উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এরপর ভারতীয় পুলিশ মরদেহটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার বিকেলে বিএসএফ তা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দেয়।

এদিকে, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানিয়েছেন, শাকিল কীভাবে সীমান্তের ওই এলাকায় পৌঁছাল এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।