আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ইংল্যান্ডের নেতৃত্বে চার্লি ডিন

আগামী সেপ্টেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য ইংল্যান্ড দলের অধিনায়ক হিসেবে চার্লি ডিনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ন্যাট সিভার-ব্রান্টের অনুপস্থিতিতে ডিন সফলভাবে দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজেও তার ওপর আস্থা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

ইংল্যান্ড তাদের নিয়মিত অনেক তারকা খেলোয়াড়কে এই সিরিজের জন্য বিশ্রাম দিয়েছে। ন্যাট সিভার-ব্রান্ট এবং ড্যানি ওয়াট-হজ ফিটনেস ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকায় দলে নেই। এছাড়া সোফি একলেস্টোন, লরেন বেল এবং অ্যামি জোন্সকেও এই সিরিজের জন্য বিবেচনা করা হয়নি। নিয়মিতদের অনুপস্থিতিতে তরুণ খেলোয়াড়দের নিজেদের প্রমাণ করার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। অ্যামি জোন্সের অনুপস্থিতিতে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন অ্যালিস ক্যাপসি।

ইংল্যান্ড দলে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন গ্রেস পটস এবং কিরা চাতলি। এছাড়া দুই টি-টোয়েন্টি খেলা চারিস প্যাভেলি এবার ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন। পিঠের চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন রিয়ানা ম্যাকডোনাল্ড-গে। দলে আরও আছেন বাঁহাতি স্পিনার টিলি কর্টিন-কোলম্যান। ইংল্যান্ডের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড: মায়া বুশিয়ার, অ্যালিস ক্যাপসি (উইকেটরক্ষক), কিরা চাতলি, টিলি কর্টিন-কোলম্যান, চার্লি ডিন (অধিনায়ক), সোফিয়া ডাঙ্কলি, লরেন ফিলার, দানি গিবসন, জোডি গ্রিউকক, ফ্রেয়া কেম্প, রিয়ানা ম্যাকডোনাল্ড-গে, চারিস প্যাভেলি, গ্রেস পটস, ম্যাডি ভিলিয়ার্স এবং ইজি ওং।

প্রধান কোচ শার্লট এডওয়ার্ডস জানিয়েছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যস্ততার পর এই সিরিজটি ৫০ ওভারের ফরম্যাটে মনোযোগ দেওয়ার দারুণ সুযোগ। তিনি বলেন, ‘এ বছর আমাদের মূল মনোযোগ ছিল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। তবে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার পর এখন খেলোয়াড়দের জন্য সুযোগ এসেছে নিজেদের ৫০ ওভারের দক্ষতা প্রদর্শনের এবং ভবিষ্যতের জন্য অভিজ্ঞতা অর্জনের।’ কোচ আরও যোগ করেন, এই সিরিজটি তরুণদের জন্য নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করে জাতীয় দলে নিয়মিত হওয়ার একটি বড় সুযোগ।

সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটি ১ সেপ্টেম্বর লেস্টারে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর ডার্বিতে দ্বিতীয় এবং ৬ সেপ্টেম্বর ওরচেস্টারে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।