সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার আগে চাপমুক্ত বাংলাদেশ

এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে হারমানপ্রিত কৌরের দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার কাছে হারের কারণে সেমিফাইনাল এড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া হলেও, এই ম্যাচ নিয়ে বাড়তি কোনো চাপ অনুভব করছেন না দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার শারমিন আক্তার সুপ্তা। বরং বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ম্যাচটিকে উপভোগের সুযোগ হিসেবেই দেখছেন তিনি।

টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচেই দাপুটে জয় পাওয়া ভারত এই ম্যাচে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামবে। তবে এই বাস্তবতাকে ইতিবাচকভাবেই নিচ্ছেন সুপ্তা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের পর তিনি জানান, চাপ আসলে মানসিক একটি বিষয়। তার ভাষায়, “কখনও কখনও আপনি চাপ ভাবলেই চাপ মনে হয়। তবে ভারতের মতো সেরা মানের দলের বিপক্ষে খেলাটা আমাদের জন্য উপভোগের। চ্যাম্পিয়ন হতে হলে তো তাদের বিপক্ষে খেলতেই হবে, তাই এটি চাপের নয় বরং আনন্দের।”

বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যাটিং লাইনআপ। গ্রুপ পর্বে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ১২৯, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১১৪ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে মাত্র ১০৩ রান করতে পেরেছে দলটি। তবে বোলারদের ধারাবাহিক নৈপুণ্যে ইন্দোনেশিয়া ও আমিরাতের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। আমিরাতের বিপক্ষে ৫৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলের হাল ধরেছিলেন একাদশে ফেরা সুপ্তা। ৩১ বলে ৩৭ রানের ইনিংস খেলার পাশাপাশি নাহিদা আক্তারের সঙ্গে ৪২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে একশর বেশি রানে পৌঁছে দেন তিনি।

সেই কঠিন পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে সুপ্তা বলেন, “মাঝে মাঝে এমনটা হতেই পারে। শুরুতে ৫-৬টি উইকেট পড়ে গেলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। ওই সময় ক্রিজে টিকে থাকা এবং নিচের ব্যাটারদের সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়াটা ছিল আমার প্রধান লক্ষ্য।” নাহিদার ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি আরও যোগ করেন, “সেই মুহূর্তে নাহিদা দুর্দান্ত ছিল। সে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল এবং আমরা ইনিংস এগিয়ে নিয়েছি। আমাদের বোলিং আক্রমণের ওপর আস্থা ছিল বলেই আমরা জানতাম কীভাবে এই ধরনের ম্যাচ জিততে হয়।”

দুবাইয়ে প্রতিটি ম্যাচে গ্যালারিতে সমর্থকদের সরব উপস্থিতি খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করেছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও স্টেডিয়ামে এসে গলা ফাটানো দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সুপ্তা বলেন, “মানুষ যখন আমাদের জন্য স্টেডিয়ামে আসে এবং জেতার পর আনন্দ করে, তখন সেটি আমাদের জন্য ভীষণ প্রাপ্তি ও আনন্দের ব্যাপার।” প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারণ শুরুতে ৫-৬টা উইকেট হারিয়ে ফেললে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়।”। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নাহিদার ভূমিকাও আলাদা করে স্মরণ করেছেন তিনি, “তবে এটা একটু কঠিন ছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল, আমি তার সঙ্গে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে গেছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞ সুপ্তা, “যারা মাঠে এসেছেন ও আমাদের জন্য গলা ফাটিয়েছেন, তাদেরকে ধন্যবাদ।