হরমুজে সহায়তা না করলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ব্যর্থ রাষ্ট্র ইরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করতে অত্যন্ত আগ্রহী। তবে তাদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হবে কি না, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে ওয়াশিংটনের ওপরই নির্ভর করছে। যদিও এ ব্যাপারে নিজের অবস্থান নমনীয় রেখেছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করছে না, তাদের এখন থেকে মার্কিন প্রশাসনকে অর্থ পরিশোধ বা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ইরানকে কোনো সহায়তা বা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পেছনে চীনের সম্পৃক্ততার অভিযোগও অবশ্য নাকচ করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইরান যুদ্ধের অবসান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। গত রোববার আয়ারল্যান্ড সফরে আইরিশ ওপেন গলফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার প্রত্যাশা, নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই এই সংঘাত থেমে যেতে পারে। ট্রাম্পের মতে, ইরান যুদ্ধ শেষ হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে।

ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বর্তমানে স্থগিত রয়েছে, যা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে বড় ধরনের হোঁচট হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসা বা সমঝোতায় যাওয়ার বিষয়টি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই নির্ধারণ করবে।