আফগানিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে চমক দেখাল নেপাল

এশিয়ান গেমসে নিজেদের দাপট দেখিয়ে আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে নেপাল। নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা আফগানরা শুরু থেকেই নেপালের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে। ললিত রাজবংশীর ঘূর্ণি জাদুতে পঞ্চম ওভারেই ১৬ রান তুলতেই আফগানিস্তান ৩ উইকেট হারিয়ে বসে। ললিত পাওয়ারপ্লের তিন ওভারে তিন উইকেট শিকার করে দলকে চালকের আসনে বসিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০২ রানে থামে আফগানিস্তানের ইনিংস। রান তাড়ায় নিজেদের ইনিংসেও ধাক্কা খেয়েছিল তারা।

আফগানদের হয়ে ফয়সাল আহমাদজাই তার টি-টোয়েন্টি অভিষেকে ৩৩ বলে ৩০ রান করেন, নাজিবউল্লাহ জাদরানও সমান ৩০ রান যোগ করেন। তবে দলের অন্য কোনো ব্যাটার ২০ রানের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। নেপালের হয়ে কুশাল ভুর্তেল চার ওভারে ২১ রান খরচায় ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। ললিত রাজবংশী ১৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট লাভ করেন। চার ওভারে ২১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। পাওয়ারপ্লেতে তিন ওভার বোলিং করে তিন উইকেটই নেন বাঁহাতি স্পিনার ললিত রাজবংশী। পরে ফয়সাল আহমাদজাই ও নাজিবউল্লাহ জাদরান কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন।

জবাবে ১০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নেপালও শুরুতে বেশ চাপে পড়েছিল। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কুশাল ভুর্তেল শূন্য রানে বিদায় নেন এবং সপ্তম ওভারের মধ্যে ৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ হারের শঙ্কা তৈরি হয়। সেই সংকটময় মুহূর্তে দলের হাল ধরেন সন্দীপ জোরা ও রোহিত পৌডেল। জোরা ৩৪ রান করে আউট হলেও পৌডেল ৩৩ রানে অপরাজিত থেকে গুলসান ঝার সঙ্গে জুটি বেঁধে ১৭.২ ওভারে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এটি নেপালের দ্বিতীয় জয়। এর আগে ২০১৪ সালে তারা প্রথমবারের মতো আফগানদের ৯ রানে পরাজিত করেছিল। এবারের এশিয়ান গেমসে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জাপানকে হারানো আফগানিস্তান এই হারের পর দুই ম্যাচে এক জয় ও এক হারে ২ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে। অন্যদিকে, এক ম্যাচে এক জয় ও ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে নেপাল তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে।