এশিয়ান গেমসে কেবল প্রশিক্ষককেই পাঠানোর নির্দেশ ক্রীড়াপ্রতিমন্ত্রীর

আগামী সেপ্টেম্বরে জাপানের নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০তম এশিয়ান গেমস। এই আসরে বাংলাদেশের ২২টি ডিসিপ্লিনের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেবেন। এই অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে গতকাল সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনগুলোর কর্মকর্তাদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন যুব ও ক্রীড়াপ্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সভায় তিনি স্পষ্টভাবে নির্দেশনা দেন যে, কেবল যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতেই সেরা পারফর্মারদের দলে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যাতে কোনো যোগ্য খেলোয়াড় বাদ না পড়ে। এছাড়া পদক জয়ের মানসিকতা নিয়ে গেমসে অংশ নেওয়ার জন্য ক্রীড়াবিদদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘদিনের প্রচলিত কিছু চর্চার সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গেমস আসে আর গেমস যায়, কিন্তু নামকাওয়াস্তে প্রস্তুতি নিয়ে অংশ নেওয়ায় খালি হাতেই ফিরতে হয়। সবশেষ গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে চার ডিসিপ্লিনে ১৫ জন ক্রীড়াবিদ অংশ নিলেও প্রত্যাশিত সাফল্য আসেনি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, কোনো গেমসে যাওয়ার আগে প্রস্তুতির ঘাটতি রাখা যাবে না। খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের জন্য স্থায়ী কোচ নিয়োগের ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

দল গঠনের ক্ষেত্রে পদের অসঙ্গতি নিয়ে সভায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন আমিনুল হক। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, শুটিং ফেডারেশনের এক কর্মকর্তাকে ক্যাম্প ডিরেক্টর হিসেবে পাঠানোর ঘোষণা দেওয়া হলেও তালিকায় তাকে পিস্তল কোচ হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা অত্যন্ত অশোভনীয়। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকদের হঠাৎ করে কোচ হিসেবে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যিনি সারা বছর খেলোয়াড়দের নিবিড় প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, তাকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোচের দায়িত্ব দিয়ে পাঠাতে হবে। এছাড়া এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী দলের প্রস্তুতি, খেলোয়াড় ও অফিশিয়ালদের সংখ্যা এবং ভ্রমণের সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করতে ফেডারেশনগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ক্রীড়াঙ্গনের উন্নতির জন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। একই সাথে তিনি স্টেডিয়াম এলাকার পরিবেশ উন্নয়নের ওপর জোর দেন। সম্প্রতি ঢাকা ও কমলাপুর স্টেডিয়াম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, মোবাইল কোর্ট ও ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া সত্ত্বেও পরিবেশের আশানুরূপ পরিবর্তন ঘটেনি, যা দুঃখজনক। তিনি দ্রুত এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এবারের আসরে ২২ ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাশাপাশি পদকজয়ের মানসিকতা নিয়ে গেমসে অংশ নেয়ার অনুরোধ জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশের হয়ে কোন না কোন অ্যাথলেট অংশ নিয়ে থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কমনওয়েলথ গেমসও তার ব্যতিক্রম ছিল না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি আশা করবো দ্রুত পরিস্থিতি উন্নতি হবে।’।