ব্যবসায়িক কৌশলের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিনের কিছু আন্তর্জাতিক পোশাক ক্রেতা ও ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে তাদের ক্রয়াদেশ অন্য দেশে সরিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো এখন ঝুঁকি কমাতে পণ্য সংগ্রহের উৎস বৈচিত্র্যময় করার ওপর জোর দিচ্ছে, যার ফলে তারা সব পণ্য একক উৎস থেকে না কিনে বিভিন্ন দেশে সরবরাহ চেইন ছড়িয়ে দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত নানা কারণে ৩০টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে প্রায় ১৪ হাজার কর্মীর কর্মসংস্থান হারিয়েছে। তবে একই সময়ে ৫৩টি নতুন কারখানা বিজিএমইএর সদস্যপদ লাভ করেছে এবং সেখানে প্রায় ২৪ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
পোশাকশিল্পের রপ্তানি বাড়াতে বিজিএমইএ বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর জাপান ডেস্ক চালু করা হবে, যার লক্ষ্য জাপানের প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের পোশাক বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব বৃদ্ধি করা। এছাড়া আগামী ২৮ অক্টোবর হংকংয়ে ‘বাংলাদেশ অ্যাপারেল রোডশো’ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে নতুন ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হবে।
দেশের অর্থনীতির অন্যান্য খাতের মধ্যে সৌর সরঞ্জাম আমদানিতে কর হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, রাত ৮টায় দোকানপাট বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্তের ফলে খুচরা বিক্রিতে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিজিএমইএর পক্ষ থেকে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর জাপান ডেস্ক চালুর কথা জানানো হয়েছে।

