ভারতীয় অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া ডান পায়ের টিবিয়াল হাড়ের স্ট্রেসজনিত সমস্যায় ভুগছেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, তার হাড় ভাঙেনি বা কোনো স্থায়ী ফাটল (স্ট্রেস ফ্র্যাকচার) দেখা দেয়নি। চিকিৎসকরা তাকে আপাতত দুই সপ্তাহের বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এই ইনজুরির কারণে তিনি আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে পারবেন না। পুদুচেরিতে ৬, ৯ ও ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য এই সিরিজটি খেলতে তার অংশগ্রহণের বিষয়টি আগে থেকেই শর্তসাপেক্ষ ছিল।
আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড সফরে ভারত ১০টি সাদা বলের ম্যাচ খেলবে। এই সফরে হার্দিকের খেলার বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। যদিও ওয়ানডে সিরিজের তুলনায় টি-টোয়েন্টি সিরিজে তার ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে কিছুটা আশাবাদ থাকলেও, এটি এখনও অনিশ্চিত। আইপিএলের পর থেকে তিনি আর কোনো প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেননি। সর্বশেষ মার্চ মাসে আহমেদাবাদে বিশ্বকাপের ফাইনালে টি-টোয়েন্টি এবং মার্চ ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ওয়ানডে খেলেছিলেন তিনি।
ভারতীয় দলের কোচ গৌতম গম্ভীর দলের সাদা বলের ক্রিকেটে হার্দিকের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে সম্প্রতি জানিয়েছেন, দশ ওভার বোলিং এবং ছয় বা সাত নম্বরে ব্যাট করার সক্ষমতা সম্পন্ন এমন খেলোয়াড় পাওয়া কঠিন। গম্ভীরের মতে, আইপিএলের পর হার্দিক দীর্ঘ সময় খেলার বাইরে থাকায় তার ম্যাচ প্র্যাকটিসের অভাব রয়েছে। আসন্ন বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়ের ম্যাচ টাইম অত্যন্ত জরুরি। তাই সরাসরি ওয়ানডে খেলার চেয়ে টি-টোয়েন্টি খেলে নিজেকে প্রস্তুত করাটা তার জন্য বেশি কার্যকর হতে পারে বলে মত দিয়েছেন কোচ।
হার্দিকের এই চোটের কারণে তার নিউজিল্যান্ড সফর নিয়ে শঙ্কা থাকলেও, অলরাউন্ডার নিজে দ্রুত মাঠে ফেরার জন্য বেশ আগ্রহী। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাকে সুস্থ করে তোলার জন্য সেন্টার অফ এক্সিলেন্স (CoE) এর মেডিকেল টিম কাজ করছে। আপাতত সম্পূর্ণ বিশ্রামই তার সেরে ওঠার প্রধান উপায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

