সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিল্লির এক জ্যোতিষীকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, এই জ্যোতিষী বছরে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করেন। গত ৩০ আগস্ট নীতু খান্ডেলওয়াল নামের এক ব্যক্তি এক্স হ্যান্ডেলে এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, নিজের এক আত্মীয়ের কাছ থেকে তিনি এই জ্যোতিষীর বিষয়ে জানতে পেরেছেন। ওই আত্মীয় বর্তমানে নিয়মিত জ্যোতিষীর পরামর্শ নিচ্ছেন এবং নীতুকেও একই সেবা নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করছেন।
ভাইরাল হওয়া পোস্ট অনুযায়ী, ওই জ্যোতিষী একজন ক্লায়েন্টের কাছ থেকে তিনটি ৩০ মিনিটের সেশনের জন্য মোট ২৫ হাজার রুপি ফি নেন। বর্তমানে তাঁর ক্লায়েন্ট সংখ্যা প্রায় এক হাজার। সেই হিসেবে, ২৫ হাজার রুপি করে এক হাজার ক্লায়েন্টের কাছ থেকে তাঁর বার্ষিক আয় দাঁড়ায় ২ কোটি ৫০ লাখ রুপি। এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি ৩০ মিনিটের সেশনের জন্য ক্লায়েন্টকে প্রায় ৮ হাজার ৩৩৩ রুপি খরচ করতে হয়।
তবে এই ২ কোটি ৫০ লাখ রুপির অঙ্কটি কোনো সরকারি বা নিশ্চিত আয় নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি গাণিতিক হিসাব মাত্র। ক্লায়েন্টদের সবাই পূর্ণ বার্ষিক ফি পরিশোধ করেন কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবুও এই হিসাবটি ইন্টারনেটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
অনেকে এই জ্যোতিষীর ব্যবসায়িক কৌশলের প্রশংসা করছেন। নেটিজেনদের একাংশ রসিকতা করে মন্তব্য করেছেন যে, ওই জ্যোতিষী হয়তো গ্রহ-নক্ষত্রের চেয়ে মানুষের চাহিদার বাজারটিই বেশি ভালো বুঝতে পেরেছেন। জ্যোতিষশাস্ত্রের চেয়ে এর ব্যবসায়িক দিকটিই এখন সাধারণ মানুষের কাছে বেশি কৌতূহলের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

