বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় জামিন পেলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা

বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

আদালতে তিশার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক। তিনি দাবি করেন, তানজিন তিশা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবেই তিনি আদালতে হাজির হয়েছেন। আইনজীবীর ভাষ্যমতে, ‘অ্যাপোনিয়া’ নামের একটি অনলাইন ফ্যাশন পেজ থেকে শাড়ি নেওয়ার বিষয়ে তিশার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল। পেজটির প্রচারণার শর্তে শাড়িটি নেওয়া হয় এবং তিনি ভিডিও আপলোডও করেছিলেন। আইনজীবী আদালতে সেই শাড়িটি উপস্থাপন করে দাবি করেন, শাড়িটির ভাজ পর্যন্ত খোলা হয়নি। তিনি আরও বলেন, তিশা সামনে একটি বড় পর্দার সিনেমায় কাজ করছেন, তাই তাকে জামিন দেওয়া হোক।

অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুকুল জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি শাড়ির ভাজ না খোলা হয়, তবে অভিনেত্রী ভিডিও আপলোড করলেন কীভাবে? তিনি অভিযোগ করেন, মামলাটি এমনি এমনি হয়নি; বরং আসামিকে আগে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া ডিবি পুলিশ বারবার তলব করলেও তানজিন তিশা সাড়া দেননি। মামলাটি জামিন অযোগ্য ধারায় দায়ের করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি অভিনেত্রীকে জেলহাজতে পাঠানোর আবেদন জানান।

মামলার বিবরণে জানা যায়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি সংগ্রহ করেছিলেন তানজিন তিশা। শাড়িটির প্রচারণা চালানো এবং মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়। বর্তমানে মামলাটি ডিবি পুলিশ তদন্ত করছে।

তখন বাদীপক্ষ তিশাকে বলেন, আমরা একটি শাড়ি দিচ্ছি।

তানজিন তিশা তখন বলেন, ‘ঠিক আছে।

এরই মধ্যে বাদী মামলা করে দিয়েছেন কোর্টে।

বাদীর ‘অ্যাপোনিয়া’ পেজে শাড়ি দেখে কিনতে আগ্রহী ছিলেন।

সামনে একটা বড় পর্দার সিনেমা হাতে নিয়েছেন।

এখন বলা হচ্ছে, শাড়ির ভাজ ভাঙা হয়নি।

তাকে জেল-হাজতে আটক রাখার আবেদন করছি।

সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত