ব্যাটিং বিপর্যয়কে স্বাভাবিক বলছেন অধিনায়ক জ্যোতি

জাপানের আইচি নাগোয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ১১৪ রানে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে শুরুতে ব্যাট করে ১৯৫ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় ভারত। জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশের মেয়েরা মাত্র ৮১ রানেই অলআউট হয়ে যায়। বরাবরের মতোই টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে ভারতের কাছে বাংলাদেশের হারের পেছনে মূল কারণ হিসেবে ব্যাটিং ব্যর্থতাকেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের ব্যাখ্যায় বলেন, পিচটি বেশ ফ্ল্যাট ছিল এবং প্রতিপক্ষ অনেক ভালো ব্যাট করেছে। তিনি বলেন, লক্ষ্য বড় হওয়ার চাপে দলের ব্যাটিং লাইনআপ ধসে পড়া অনেকটা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে তার মতে, বোলিংয়ে আরেকটু কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারলে প্রতিপক্ষের সংগ্রহ কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব ছিল।

টুর্নামেন্টের শিডিউল নিয়ে আক্ষেপ না করে জ্যোতি বলেন, আমরা জানি তারা শক্তিশালী দল। তবে আমাদের বোলিং ইউনিট অনেক বেশি রান দিয়েছে এবং ব্যাটার হিসেবে আমরাও দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হয়েছি। যদি অন্তত একশ রান অতিক্রম করা যেত, তবে পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য মানসিক অবস্থার ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ত। চাপের মুখে ব্যাটিং এবং সহজ পরিস্থিতিতে ব্যাটিংয়ের পার্থক্য যে দলে ফুটে উঠেছে, সেটি স্বীকার করতেও দ্বিধা করেননি তিনি।

ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভঙ্গ হলেও বাংলাদেশের সামনে এখনো ব্রোঞ্জ জেতার সুযোগ রয়েছে। সর্বশেষ আসরে পাকিস্তানকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছিল টাইগ্রেসরা, এবারও প্রতিপক্ষ সেই পাকিস্তানই। এই লড়াই নিয়ে জ্যোতি জানান, জয় পাওয়ার সুযোগ আছে এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে সাম্প্রতিক বিশ্বকাপে ভালো খেলার অভিজ্ঞতা আমাদের আত্মবিশ্বাস জোগাবে। কন্ডিশন ভিন্ন হলেও ব্যাটাররা রান করতে পারলে পদক জয়ের লক্ষ্য পূরণ সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

এশিয়ান গেমসের মাঠেই নামার আগে বিসিবিকে চিঠি দিয়ে টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন জ্যোতি। এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো রাগ বা অভিমান আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ব্যক্তিগতভাবে ব্যাটার হিসেবে দেশের জন্য এখনো অনেক কিছু দেওয়ার বাকি আছে। নিজের ব্যাটিংয়ের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার লক্ষ্য থেকেই মূলত তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ব্যাটিং কোলাপ্সের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ফ্লাট উইকেট ছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্তত ১০০ প্লাস একটা স্কোর করতে পারলে পরবর্তী ম্যাচের জন্য একটা ইতিবাচক পরিবেশ থাকত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর এত রানের যখন একটা তাড়া থাকে, তখন এসে এরকম কলাপস হয়ই, এটা স্বাভাবিক বিষয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাট আমার কাছে মনে হয় আরেকটু বেটার বোলিং করলে হয়তোবা আরও কিছু কম রান হতো ওদের পক্ষ থেকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সূচি অন্যভাবে হলে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পেতে পারতো টাইগ্রেসর। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এসব নিয়ে তেমন ভাবনা নেই জ্যোতির, ‘এটা তো আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।