বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাম্প্রতিক সাফল্যের পেছনে ঘরের মাঠে স্পোর্টিং উইকেটে খেলার সিদ্ধান্তকে বড় নিয়ামক হিসেবে দেখছেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। তার মতে, গত নয় মাস ধরে নিয়মিতভাবে ভালো উইকেটে খেলার যে চর্চা শুরু হয়েছে, তার সুফল এখন মাঠের পারফরম্যান্সে প্রতিফলিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই বাংলাদেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে।
এই কৌশলগত পরিবর্তনের কৃতিত্ব বিসিবি, টিম ম্যানেজমেন্ট, প্রধান কোচ এবং তিন ফরম্যাটের অধিনায়কদের দিয়েছেন আশরাফুল। তিনি জানান, ভালো উইকেটে খেলার সাহসী সিদ্ধান্তটি তাদের সম্মিলিত পরিকল্পনার অংশ ছিল। এই প্রস্তুতির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ এখন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পরবর্তী চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলার পর দল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে। আশরাফুল বিশ্বাস করেন, দলের সবাই সুস্থ থাকলে ম্যাচ ধরে ধরে এগোলে ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক জয়ের অংশ হতে পেরে নিজেকে অত্যন্ত ভাগ্যবান মনে করছেন সাবেক এই অধিনায়ক। ২০০৫ সালে কার্ডিফে খেলোয়াড় হিসেবে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর স্মৃতি রোমন্থন করে তিনি বলেন, সে সময়ের মতো এবারের জয়টিও তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন। খেলোয়াড় হিসেবে কার্ডিফের সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর এবার কোচিং স্টাফের সদস্য হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জয়ী দলের সঙ্গে থাকতে পারাটা তার জন্য বিশেষ অনুভূতির।
আশরাফুলের মতে, অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাদেরই মাঠে জয় পাওয়া বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য একটি বড় মাইলফলক। তিনি মনে করেন, গত কয়েক মাসে ভালো উইকেটে খেলার যে অভ্যাস গড়ে উঠেছে, তা দলের মানসিকতা ও খেলার ধরনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে বিদেশের মাটিতে আরও সাফল্য পাওয়া সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আশরাফুল বলেন, ‘গত নয় মাস ধরে আমরা ভালো উইকেটে খেলছি, সে কারণেই কিন্তু ভালো ভালো ফলাফলগুলো আমাদের পক্ষে আসছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যখন ২০০৫ সালে আমরা অস্ট্রেলিয়াকে হারালাম কার্ডিফে, ওই অস্ট্রেলিয়া দলটা তো খুবই শক্তিশালী দল ছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষায়, ‘নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয় আসলে যে এত বড় একটা অর্জনে দলের সঙ্গে থাকতে পেরেছি।

