ম্যানসিটির মাঝমাঠে রদ্রির শূন্যতা পূরণের ইঙ্গিত দিলেন তরুণ তুর্কি বুয়াদ্দি

ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে পোর্তোর বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার আইয়ুব বুয়াদ্দি। আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে দল ২-০ ব্যবধানে জয় পেলেও, ম্যাচজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এই তরুণ। গত গ্রীষ্মে লিল থেকে ৮৬ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে তাকে দলে ভিড়িয়েছিল সিটি, যা প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে কোনো কিশোর ফুটবলারের জন্য রেকর্ড পরিমাণ অর্থ।

প্রথমবার সিটির শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েই বুয়াদ্দি তার প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। ম্যাচে ৫৫টি পাসের মধ্যে ৫৪টিই সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন তিনি। এছাড়া সর্বোচ্চ চারটি ড্রিবল, সাতবার বল দখল এবং ১৩টি ডুয়েলে অংশ নিয়ে নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন। ১৮ বছর ৩৪১ দিন বয়সে চ্যাম্পিয়নস লিগে সিটির হয়ে একাদশে নামা বুয়াদ্দি ক্লাবটির ইতিহাসে এই প্রতিযোগিতায় শুরুর একাদশে থাকা চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়।

দীর্ঘদিন সিটির মাঝমাঠের প্রাণ ছিলেন রদ্রি। তার বিদায়ের পর সৃষ্ট শূন্যতা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও বুয়াদ্দির এমন পরিণত পারফরম্যান্স সমর্থকদের আশার আলো দেখাচ্ছে। ম্যাচ চলাকালীন বিবিসি রেডিওতে সাবেক চেলসি উইঙ্গার প্যাট নেভিন বলেন, তার বয়স আর খেলার ধরন দেখে মনে হয়, এই কাজের জন্যই যেন তার জন্ম হয়েছে। রদ্রিকে হারানোর ভয় থাকলেও বুয়াদ্দির পারফরম্যান্স এখন পর্যন্ত অসাধারণ।

বুয়াদ্দির পরিণতিবোধে মুগ্ধ সিটির কোচ এনজো মারেসকা। তিনি জানান, ১৮ বছর বয়সেই বুয়াদ্দি অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। তার ভাষাগত দক্ষতা এবং মাঠের খেলার পরিণতিবোধ তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করেছে। সতীর্থ আর্লিং হালান্ডও তার প্রশংসা করে বলেছেন, আমরা এখানে এক দুর্দান্ত প্রতিভা পেয়েছি।

উল্লেখ্য, বুয়াদ্দির জন্য বড় মঞ্চ নতুন কিছু নয়। এর আগে এবারের বিশ্বকাপে মরক্কোর হয়ে এবং লিলের জার্সিতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচেও তিনি নজর কেড়েছিলেন। সিটির হয়ে এর আগে দুটি ম্যাচে বদলি হিসেবে নামলেও, পোর্তোর বিপক্ষে পূর্ণ সুযোগ পেয়েই তিনি প্রমাণ করলেন কেন তাকে দলে পেতে সিটি এত বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করতে রাজি হয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জোড়া গোল করে পোর্তোর মাঠে ২-০ গোলের জয়ও এনে দিয়েছেন আর্লিং হালান্ড। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যাকে এই গ্রীষ্মে দলে আনতে ৮৬ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছিল সিটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ, পাসিং, বল পুনরুদ্ধার আর প্রতিপক্ষের চাপ সামলে নেওয়ার দক্ষতায় বুঝিয়ে দিয়েছেন, কেন তাকে দলে পেতে লিলকে ৮৬ মিলিয়ন পাউন্ড দিতে রাজি হয়েছিল সিটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেই সুযোগে এমন পারফরম্যান্স করলেন, যেন ইউরোপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে খেলছেন বহুদিন ধরেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু আমি বুয়াদ্দির দিক থেকে চোখ সরাতে পারছি না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বুয়াদ্দির পারফরম্যান্সের পর স্বাভাবিকভাবেই সামনে আসছে রদ্রির প্রসঙ্গ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দীর্ঘদিন সিটির মাঝমাঠের অন্যতম প্রধান ভরসা ছিলেন স্প্যানিশ তারকা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার বিদায়ের পর মাঝমাঠে বড় শূন্যতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল।