জার্মান লিগের ম্যাচে শালকের জমাট রক্ষণভাগের সামনে হোঁচট খেয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। ভিনসেন্ট কোম্পানির শিষ্যরা পুরো ম্যাচে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে ব্যর্থ হয়েছে। গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ার ফলে বায়ার্নের টানা ৫৮টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করার অবিশ্বাস্য রেকর্ডের ইতি ঘটল। টানা ৬৭টি বুন্দেসলিগা ম্যাচডে বা প্রায় দুই বছর পর এই প্রথম বায়ার্ন মিউনিখ টেবিলের শীর্ষে থেকে সপ্তাহ শেষ করতে পারল না।
ম্যাচের শুরুতে কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি মূল একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন আনেন। আগের দুই ম্যাচে ভিএফবি স্টুটগার্টকে ৫-১ এবং ডিএফবি পোকাল-এ ওসব্রুককে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিলেও, এদিন হ্যারি কেইন ও মাইকেল অলিসকে বেঞ্চে রেখে খেলা শুরু করেন তিনি। প্রথমার্ধে বলের দখল বায়ার্নের কাছে থাকলেও তাদের আক্রমণ ছিল অগোছালো। লুইস দিয়াজ গোল করার সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন; প্রথমার্ধে শালকের গোলরক্ষক লরিস কারিউসকে একা পেয়েও তিনি বল বাইরে মারেন। বিরতির পর তার একটি চিপ শট গোললাইন অতিক্রম করার আগেই শালকে রক্ষণভাগ ফিরিয়ে দেয়।
ম্যাচের ৩৫ মিনিট বাকি থাকতে হ্যারি কেইন, মাইকেল অলিস এবং জামাল মুসিয়ালা মাঠে নামলে বায়ার্নের আক্রমণের ধার বাড়ে। প্রাক-মৌসুমে খিঁচুনির সমস্যায় ভোগা মুসিয়ালা এই ম্যাচের মাধ্যমেই স্কোয়াডে ফিরলেন। শেষদিকে কোনরাড লাইমারের শট সাইড নেটে লাগে এবং হ্যারি কেইনের একটি জোরালো দূরপাল্লার শট কারিউস আঙুলের ডগায় উড়িয়ে দিলে বায়ার্নের জয় অধরাই থেকে যায়। ফলে মৌসুমে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট অর্জন করল শালকে।
হ্যারি কেইনের জন্য ম্যাচটি ছিল ব্যক্তিগত মাইলফলকের হাতছানি। বুন্দেসলিগায় এটি ছিল তার ৯৬তম ম্যাচ। এর আগে প্রতিযোগিতায় দ্রুততম ১০০ গোলের রেকর্ড গড়েছিলেন মাত্র ১২৯ ম্যাচে, আর সেঞ্চুরি পূরণ করতে তার প্রয়োজন এখন মাত্র ২টি গোল। বুন্দেসলিগায় মুখোমুখি হওয়া আগের ২০টি দলের সবকটির বিপক্ষে গোল করার রেকর্ড থাকলেও, ২১তম দল হিসেবে শালকে তাকে গোলহীন রাখতে সক্ষম হলো। আগামী বৃহস্পতিবার চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে বোডো/গ্লিমটের মুখোমুখি হবে বায়ার্ন। এরপর ১৩ সেপ্টেম্বর বুন্দেসলিগায় তারা এলভার্সবার্গের বিপক্ষে মাঠে নামবে।

