বায়োফার্মাসিউটিক্যাল, ভ্যাকসিন এবং বায়োটেকনোলজি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে বিশ্বমানের উচ্চতর ধাপে উন্নীত করতে এই রূপান্তর অত্যন্ত জরুরি। রবিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘জেনেরিক থেকে বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন: বায়ো-ইকোনমির পথে বাংলাদেশের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বায়োটিইডি সোমরু বায়োসায়েন্স আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জেনএক্স সহযোগী হিসেবে যুক্ত ছিল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ওষুধ শিল্প দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতায় আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে। এখন সময় এসেছে একে বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিনের মতো উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর খাতে রূপান্তর করার। তিনি এই খাতকে কেবল স্বাস্থ্য সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে বায়োফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণার প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন তিনি।
তরুণ গবেষকদের উৎসাহিত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে ডা. মুহিত জানান, স্বাস্থ্য খাতের বাজেট থেকে গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো এবং মলিকুলার বায়োলজি ল্যাব স্থাপনের কাজ চলছে। এছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তরুণ গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা তহবিল বৃদ্ধির বাস্তবমুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার সাধারণ কর্মসংস্থানের চেয়ে বিজ্ঞান ও গবেষণাকেন্দ্রিক উচ্চমানের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অংশীজনদের সাথে নিয়ে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় কৌশলপত্র চূড়ান্ত করা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ বৈশ্বিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল বাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে। গোলটেবিল বৈঠকে আইসিডিডিআরবির প্রধান নির্বাহী ডা. তাহমিদ আহমেদ, বায়োটিইডির প্রধান নির্বাহী সওগাতুল ইসলাম, বিএমআরসির পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দিন বেননূর, ডিজিডিএ পরিচালক নাঈম গোলদার, জেনেক্স হেলথের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মুনিয়া আমিন, সাদাফ সাজ, ইউনিমেড ইউনি হেলথের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসাদ্দেক হোসাইন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক সোহেল রানাসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
এ রূপান্তরের জন্য প্রায় ১০ হাজার প্রশিক্ষিত দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন হবে।
তরুণ গবেষকদের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে ড.

