সেমিফাইনালের গণ্ডি পেরিয়ে এবার ফাইনালে খেলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। বারবার শেষ চারে গিয়ে থেমে যাওয়ার আক্ষেপ ঘুচিয়ে এবার দেশকে বড় কোনো অর্জনের উপলক্ষ এনে দিতে চান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। এবারের এশিয়া কাপ নিয়ে দলের আত্মবিশ্বাস বেশ তুঙ্গে, যেখানে প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার সমন্বয়ে ভালো কিছু করার প্রত্যাশা করছেন তিনি।
দুবাইয়ে আজ থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ। ২৮ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এই টুর্নামেন্টে মোট ৮টি দল অংশ নিচ্ছে। টুর্নামেন্টের ফরম্যাট অনুযায়ী, ১৫টি ম্যাচের মধ্যে ১২টি গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ের পর দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সব ম্যাচই দুবাইয়ের ভেন্যুতে আয়োজিত হচ্ছে। বাংলাদেশ ‘বি’ গ্রুপে লড়বে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে। অন্যদিকে ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, হংকং ও থাইল্যান্ড। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালের টিকিট পাবে। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ৩১ আগস্ট, প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়া। এছাড়া গ্রুপ পর্বে ৬ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
প্রতিপক্ষ হিসেবে শ্রীলঙ্কা বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে দুই দলের ১৬ বারের দেখায় ১৩ বারই জয় পেয়েছে লঙ্কানরা। চলতি বছরেও তাদের পারফরম্যান্স দুর্দান্ত; ১৩ ম্যাচে ১০ জয় ও ৩ হারের বিপরীতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয় এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ভারতও শিরোপার লড়াইয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে, যারা এর আগে পাঁচ আসরের মধ্যে তিনবার চ্যাম্পিয়ন ও দুইবার রানার্সআপ হয়েছে।
পরিসংখ্যানের চেয়ে নিজেদের প্রস্তুতির ওপরই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। দুবাইয়ের কন্ডিশন ও গরমের সঙ্গে মানিয়ে নিতে বাংলাদেশ দল দেশে ফ্লাডলাইটের নিচে বিশেষ অনুশীলনের পাশাপাশি ম্যাচ খেলেছে। এর আগে দুবাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতাও দলের কাজে আসবে বলে মনে করেন তিনি। জ্যোতির মতে, প্রস্তুতি অনুযায়ী খেলতে পারলে সেমিফাইনালের বাধা পেরিয়ে এবার ফাইনালে পৌঁছানো সম্ভব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৮ দলের এ টুর্নামেন্টে হবে মোট ১৫ ম্যাচ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৫ টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের মধ্যে তিনবারই তারা চ্যাম্পিয়ন; বাকি দুবার রানার্সআপ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০২৪ সালে তাদের হারিয়েই শিরোপা জিতেছিল শ্রীলঙ্কা।

