নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেন্দ্র করে একটি প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। গত বুধবার নিউ ইয়র্কের একটি রেস্টুরেন্টে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার। সভাটি সঞ্চালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম আনোয়ার এবং সাবেক ছাত্রনেতা মোতাহার হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সোলাইমান ভূঁইয়া। সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক ড. সুকমল বড়ুয়া প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং মুক্তবাজার অর্থনীতির দর্শনের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজীবন গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপসহীন ছিলেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা-মায়ের আদর্শ অনুসরণ করে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন এবং ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর সুশাসন ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করছেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং বহুদলীয় রাজনীতির প্রবর্তনই ছিল আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি। তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রচিন্তাকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ একটি সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, সৈয়দ মুরাদুল হাসান রেজা, জাকির এইচ চৌধুরী, সায়েদুল হক, ডা. শামীম দেওয়ান, মাকসুদ চৌধুরী, নাছিম আহমেদ, সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, শেখ আলী, এম শহিদুল ইসলাম, ডা. তারেক জামান, নূর আলম, হাবিবুর রহমান হাবিব, শেখ জহির, ফরহাদ হোসেন মৃধা, মোরশেদ আলম, মোহাম্মদ নুরুজ্জামান লালটু, মো. বাচ্চু মিয়া, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ সেলিম সারোয়ার এবং মো. সারওয়ার আবুল কালাম দুলালসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সুকমল বড়ুয়া শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং মুক্তবাজার অর্থনীতি ও ‘বাংলাদেশি’ জাতীয়তাবাদের দর্শনের কথা তুলে ধরেন।

