এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ও শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বোর্ড ব্যতীত সারাদেশের ২ হাজার ৫৮৩টি কেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বেশ উদ্দীপনা নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
পরীক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে: বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মতামতের ভিত্তিতে এবং অধিকাংশ শিক্ষার্থীর স্বার্থ বিবেচনায় চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারাদেশে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অব্যাহত রাখা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, যাতায়াত সমস্যা বা জলাবদ্ধতার কারণে কোথাও সমস্যা দেখা দিলে তারা প্রয়োজনে কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত কিংবা পরীক্ষার সময় বাড়ানোর মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
এছাড়া, বৈরী আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা দিতে পারবে। পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের দুটি ভুল প্রশ্নের জন্য সকল পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এই ভুল প্রশ্নপত্র তৈরির সঙ্গে জড়িতদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে এইচএসসি পরীক্ষা কেবল একটি সাধারণ পরীক্ষা নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার কারিগরদের জীবন গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে পরীক্ষা পরিচালনা করছে এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার।
সেখানে লেখা পাঁচটি উদ্যোগ হুবহু তুলে ধরা হলো-১।
কোথাও যাতায়াত বা জলাবদ্ধতার কারণে সমস্যা হলে প্রয়োজনে কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত, কিংবা পরীক্ষার সময় বৃদ্ধিসহ যেকোনো প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।৩।

