ফিফা আয়োজিত আসন্ন আসিয়ান কাপের আসরে প্রথমবারের মতো অতিথি দল হিসেবে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ১৪ দলের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ জায়গা পেয়েছে প্রিমিয়ার ডিভিশন গ্রুপে। সেখানে তাদের মোকাবিলা করতে হবে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে। বর্তমান ফিফা র্যাংকিংয়ের দিকে তাকালে দেখা যায়, বাংলাদেশ ১৮১তম অবস্থানে রয়েছে, যেখানে ইন্দোনেশিয়া ১১৮তম, মালয়েশিয়া ১৩৬তম এবং সিঙ্গাপুর ১৪৮তম অবস্থানে থেকে মাঠের লড়াইয়ে নামবে।
র্যাংকিংয়ের ব্যবধান বিবেচনায় আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ অনেকটা আন্ডারডগ হিসেবে বিবেচিত হলেও, দলের প্রধান কোচ থমাস ডুলি বেশ আশাবাদী। তিনি মনে করেন, বড় দলগুলোর বিপক্ষে ভালো করার সুযোগ রয়েছে। ডুলির মতে, নিখুঁত ফুটবল খেলার পাশাপাশি জয়ের মানসিকতা ধরে রাখাই এখন মূল লক্ষ্য। খেলোয়াড়রা মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং সবাই নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষের ম্যাচ নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ডুলি বলেন, গতবার তাদের প্রায় হারিয়েই দিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ মুহূর্তের ভুলে ফলাফল হাতছাড়া হলেও, সেই অভিজ্ঞতার আলোকে এবার নতুন পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয় পাওয়া কঠিন মনে হলেও অসম্ভব নয় বলে জানান তিনি। ডুলির ভাষ্যমতে, স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া আমাদের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে বাড়তি চাপে থাকবে, কারণ তারা র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা দলের কাছে পয়েন্ট হারাতে চাইবে না। এই মানসিক চাপের সুযোগটা নিতে চায় বাংলাদেশ।
টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামার কথা জানিয়ে কোচ বলেন, প্রথম বা তৃতীয় হওয়ার হিসাব কষার চেয়ে প্রতিটি ম্যাচে অভিজ্ঞতা অর্জন ও জেতার মানসিকতা বড়। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে উন্নতির ওপর জোর দিচ্ছেন তিনি। আসিয়ান কাপের আগে দলের আক্রমণভাগ নিয়ে কিছুটা চিন্তিত ডুলি। তিনি বলেন, দলে সত্যিকারের ‘নাম্বার নাইন’ পজিশনের খেলোয়াড়ের অভাব প্রকট। এর মূল কারণ হিসেবে তিনি স্থানীয় ক্লাবগুলোতে বিদেশি খেলোয়াড়দের আধিপত্যকে দায়ী করেছেন।
বিশ্বনাথ ঘোষের ইনজুরি দলের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে। সেন্টার-ফরোয়ার্ড হিসেবে তাকে ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল কোচের। সান মারিনোর ম্যাচে তার পারফরম্যান্স এবং গোল তৈরিতে ভূমিকার প্রশংসা করেন ডুলি। এখন সেন্টার-ফরওয়ার্ড পজিশনে উইঙ্গার ও অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারদের পরখ করে দেখছেন তিনি। বিশেষ করে রাকিব ও মোরসালিনকে নিয়ে কোচের বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া তপু বর্মন, জামাল ভূঁইয়া ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিমসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় চোটে থাকায় আসিয়ান কাপ শুরুর আগে তাদের দ্রুত সুস্থতার অপেক্ষায় রয়েছে পুরো দল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যেখানে ইন্দোনেশিয়া ১১৮, মালয়েশিয়া ১৩৬ আর সিঙ্গাপুর রয়েছে ১৪৮তম অবস্থানে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘সাধারণত মালয়েশিয়াকে হারানোর সুযোগ নেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফিফা র্যাংকিংয়ে এই তিনটি দলই বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে সম্ভাবনাময় ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বড় দলগুলো বিপক্ষে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমিয়ে তুলেন হামজা-শমিতরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আগের ম্যাচের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে কোচ ডুলি বললেন, ‘গতবার আমরা সিঙ্গাপুরকে প্রায় হারিয়ে দিয়েছিলাম।

