এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের সবার আগে জাপান পৌঁছেছে জাতীয় নারী ফুটবল দল। চীনের গুয়াংজুতে কন্ডিশনিং ক্যাম্প এবং দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পর আফঈদা খন্দকার ও মনিকা চাকমাদের নেতৃত্বাধীন দলটি জাপানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। সেখানে কোচ পিটার বাটলারের অধীনে গেমসের জন্য নিজেদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিচ্ছেন ফুটবলাররা। এশিয়ান গেমসে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় অংশগ্রহণ। এর আগে ২০২৩ সালে হাংজু এশিয়ান গেমসে প্রথমবারের মতো লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছিল।
এবারের আসরে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ‘এফ’ গ্রুপে ঋতুপর্ণা ও তহুরাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে এশিয়ার দুই শক্তিশালী দেশ উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া এবং মিয়ানমার। আগামী ১৪ই সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের এশিয়ান গেমস অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে জাপান সময় বিকাল ৪টায় এবং বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায়। এরপর ১৭ই সেপ্টেম্বর একই ভেন্যুতে দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২১শে সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের বিপক্ষে, যা একই সময়ে নাগাই স্টেডিয়ামে শুরু হবে। নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে প্রতিটি ম্যাচই বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শক্তিশালী দুই কোরিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ের পাশাপাশি মিয়ানমারের বিপক্ষে পয়েন্ট অর্জন করাই হবে দলের মূল লক্ষ্য।
জাপানের নাগোয়া ও আইচি শহরে আয়োজিত এবারের এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ মোট ২২টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আরচারি, অ্যাথলেটিকস, বক্সিং, ব্যাডমিন্টন, ক্রিকেট, সাইক্লিং, ফুটবল (নারী), ফেন্সিং, জিমন্যাস্টিকস, গলফ, হকি (পুরুষ ও নারী), জুডো, কাবাডি (পুরুষ ও নারী), কারাতে, শ্যুটিং, সার্ফিং, সুইমিং, টেবিল টেনিস, বিচ ভলিবল, ভারোত্তোলন, কুস্তি ও উশু। সাম্প্রতিক সময়ের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যকে পুঁজি করে গেমসে ভালো পারফরম্যান্সের প্রত্যাশা করছে পুরো দল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাপানের নাগোয়া ও আইচি শহরে অনুষ্ঠিতব্য এবারের এশিয়ান গেমসে ২২ ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গ্রুপের সেরা দলগুলো নকআউট পর্বে যাবে।

