ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে হাসান ও খালেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে কেন্টের দাপট

কাউন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশি পেসারদের আধিপত্য অব্যাহত রয়েছে। এবার কেন্টের হয়ে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে বল হাতে জ্বলে উঠেছেন হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদ। ম্যাচের প্রথম দিনেই এই দুই পেসার মিলে প্রতিপক্ষের ৭টি উইকেট তুলে নিয়েছেন। মার্টিন অ্যান্ডারসনের দুর্দান্ত প্রতিরোধের সুবাদে ডার্বিশায়ার শেষ পর্যন্ত ৩০০ রানে থামলেও, দিনের শেষভাগে কেন্ট ১১ রান সংগ্রহ করে ১ উইকেট হারিয়েছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই ডার্বিশায়ারকে চাপে রাখেন হাসান মাহমুদ। নিজের প্রথম ওভারের প্রথম দুই বলেই জোড়া আঘাত হানেন তিনি; হ্যারি কেইমকে স্লিপে ক্যাচ বানানোর পর ম্যাথু মন্টগোমেরিকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন। এক ওভারেই ডার্বিশায়ারকে ০/২ স্কোরে নামিয়ে আনেন হাসান। এরপর কাউন্টি অভিষেক রাঙাতে মাঠে নামেন খালেদ আহমেদ। তিনি মোহাম্মদ নাঈমকে ফিরিয়ে নিজের প্রথম উইকেট শিকারের পর ওয়েইন ম্যাডসেনকেও এলবিডব্লিউ করেন। একপর্যায়ে মাত্র ৬৪ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ডার্বিশায়ার।

তবে এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন মার্টিন অ্যান্ডারসন। লুইস রিসের সঙ্গে ৯১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেন তিনি। পরবর্তীতে ব্রেট র‌্যান্ডেলের সঙ্গে আরও ৮৪ রানের জুটি গড়ে ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি তুলে নেন অ্যান্ডারসন। শেষ পর্যন্ত ১৯০ বলে ১২৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে ৩০০ রানের সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেন এই ব্যাটার।

অ্যান্ডারসনের প্রতিরোধ সত্ত্বেও হাসান মাহমুদ নিজের বোলিংয়ের ধার বজায় রেখেছিলেন। ব্রুক গেস্ট ও শোয়েব বশিরকে এলবিডব্লিউ করে নিজের চতুর্থ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। সব মিলিয়ে ১০.২ ওভারে ৩ মেডেনসহ ৩০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে কেন্টের সেরা বোলার ছিলেন হাসান। অন্যদিকে, খালেদ আহমেদ ১১ ওভারে ৪ মেডেনসহ ৬২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে নিজের অভিষেক ম্যাচটি স্মরণীয় করে রেখেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মার্টিন অ্যান্ডারসনের প্রতিরোধে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩০০ রানে থেমেছে ডার্বিশায়ার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিপক্ষের বযাতিং অর্ডার গুঁড়িয়ে দিয়েছেন হাসান ও খালেদ।