ফিফা আসিয়ান কাপের আসন্ন আসরকে সামনে রেখে ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। এই স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন তিন প্রবাসী ফুটবলার, যারা প্রস্তুতি ক্যাম্পে কোচ টমাস ডুলির আস্থা অর্জনে সফল হয়েছেন। জাতীয় দলের নতুন এই তিন মুখ হলেন ইংল্যান্ডের ক্লাব বোরহাম উডে খেলা ফারহান আলী ওয়াহিদ, জাপান প্রবাসী শুকি ইতফুসা এবং যুক্তরাজ্য থেকে আসা সেন্টার-ব্যাক জিদান আলেকজান্ডার ইউসুফ। তরুণ ফুটবলার হিসেবে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে নজর কাড়া ১৮ বছর বয়সী জিদান এবার সরাসরি সিনিয়র দলে নিজের জায়গা পাকা করলেন। অন্যদিকে ফর্টিস এফসির জার্সিতে ঘরোয়া ফুটবল লিগে পরিচিতি পাওয়া শুকি ইতফুসা এবং স্বীকৃত সেন্টার ফরোয়ার্ডের চাহিদা পূরণ করতে ইংল্যান্ড থেকে আসা ফারহানকেও স্কোয়াডে রাখা হয়েছে।
তবে চূড়ান্ত দলে জায়গা হয়নি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা গোলকিপার সাইফ কেরাওয়ালার। এছাড়া জাতীয় দলের দীর্ঘ সময়ের নির্ভরতার প্রতীক আনিসুর রহমান জিকোও এবার বাদ পড়েছেন। ডুলির পরিকল্পনায় গোলরক্ষক হিসেবে মিতুল মারমা, সুজন হোসেন ও মেহেদী হাসান শ্রাবণকে বেছে নেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকায় আরও আছেন হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, ফাহামেদুল ইসলাম এবং সাম্প্রতিক ক্যাম্পে যোগ দেওয়া জায়ান আহমেদ। দীর্ঘ বিরতির পর ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক হওয়া সেন্টারব্যাক মঞ্জুরুর রহমানকেও দলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
আগামী ২৪শে সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে ফিফা আসিয়ান কাপ। ইন্দোনেশিয়া ও হংকংয়ের আয়োজনে এই টুর্নামেন্টের ‘এ’ গ্রুপে খেলবে বাংলাদেশ। গ্রুপের অন্য প্রতিপক্ষগুলো হলো ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। বাংলাদেশ তাদের প্রথম ম্যাচটি খেলবে ২৫শে সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে। এরপর ২৮শে সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর এবং ১লা অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। টুর্নামেন্টের তিনটি ম্যাচই জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ দলের আজ ইন্দোনেশিয়া রওনা দেওয়ার কথা থাকলেও ভিসাসংক্রান্ত জটিলতায় কিছু ফুটবলারের যাত্রা দু-একদিন পিছিয়ে যেতে পারে। ২৩ সদস্যের পুরো স্কোয়াড: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ, তপু বর্মন, শাকিল আহাদ তপু, সাদ উদ্দিন, রহমত মিয়া, তারিক রায়হান কাজী, জায়ান আহমেদ, জিদান আলেকজান্ডার ইউসুফ, মঞ্জুরুর রহমান, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা (দুইজন), হৃদয়, শেখ মোরসালিন, রাকিব হোসেন, মিনহাজুল করিম স্বাধীন, ফাহামেদুল ইসলাম, হামজা দেওয়ান চৌধুরী, সমিত শোম, ফারহান আলী ওয়াহিদ এবং শুকি ইতফুসা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাকে জাতীয় দলে পাওয়া নিয়ে অনেকদিন ধরেই আলোচনা ছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ করে একজন স্বীকৃত সেন্টার ফরোয়ার্ডের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন ডুলি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফর্টিস এফসি’র হয়ে খেলা আক্রমণভাগের এ ফুটবলার ডুলির আস্থা অর্জন করে মূল একাদশে জায়গা পেলেন।

