কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন টু-এর ম্যাচে ডার্বিশায়ারের কাছে ১৮১ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে কেন্ট। ডার্বিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ডার্বিশায়ার প্রথম ইনিংসে ৩০০ রান সংগ্রহ করে, যার জবাবে কেন্ট তাদের প্রথম ইনিংসে ২১৯ রান তুলতে সক্ষম হয়। এরপর ডার্বিশায়ার তাদের দ্বিতীয় ইনিংস ৮ উইকেটে ৩৫২ রানে ঘোষণা করলে কেন্টের সামনে জয়ের জন্য ৪৩৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য নির্ধারিত হয়। শেষ পর্যন্ত কেন্ট তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫২ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচটি হেরে যায়।
ম্যাচে বল হাতে শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছিলেন হাসান মাহমুদ। প্রথম ইনিংসে ৪টি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৩টি উইকেট শিকার করেন তিনি। বিশেষ করে ম্যাচের প্রথম দুই বলেই দুই উইকেট তুলে নিয়ে তিনি প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দিয়েছিলেন। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর শেষ দিনে দলকে পরাজয় থেকে বাঁচাতে ব্যাট হাতেও দৃঢ়তা দেখান এই বাংলাদেশি পেসার।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে কেন্ট যখন চরম বিপর্যয়ে, তখন লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা লড়াইয়ে ফিরে আসেন। ষষ্ঠ থেকে দশম ব্যাটসম্যান পর্যন্ত সবাই দীর্ঘ সময় ক্রিজে টিকে ছিলেন। এই পাঁচজনের মধ্যে তিনজন ১০০ বা তার বেশি বল মোকাবেলা করেন। বাকি দুজনের একজন ৮৬ বল এবং হাসান মাহমুদ নিজে ৪৮টি বল খেলেন।
ম্যাচ বাঁচাতে কেন্টের প্রয়োজন ছিল আরও ১৫টি বল। নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে বারটাই ফোরম্যান ১৪৮ বলে ৩৮ রান করে আউট হওয়ার সময় ম্যাচ ড্র করতে কেন্টের আরও ৩৩ বল বাকি ছিল। এরপর জাতীয় দলের সতীর্থ খালেদ আহমেদকে নিয়ে হাসান আরও ১২ বল লড়াই চালিয়ে যান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের টেস্ট পেসার বেন অ্যাটকিনসনের বলে হাসান আউট হলে কেন্টের পরাজয় নিশ্চিত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট, দ্বিতীয় ইনিংসে ৩টি উইকেট শিকার করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শেষ দিনে দলকে বাঁচানোর জন্য ব্যাট হাতেও লড়াই করে গেলেন, খেললেন ৪৮ বল।
