মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিকের পরবর্তী পর্বে উঠে আসবে জীবনের বিতর্কিত ও জটিল অধ্যায়

পপ সংগীতের কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের বর্ণাঢ্য জীবনের সাফল্য, খ্যাতি এবং নানা বিতর্কের সংমিশ্রণে নির্মিত হচ্ছে বায়োপিক ‘মাইকেল’। ছবিটির প্রথম পর্বে শিল্পীর শৈশব ও ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের ঘটনাবলি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এবার দ্বিতীয় পর্বে তার জীবনের নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে ২০০৯ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সময়কালকে পর্দায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বায়োপিকে মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করছেন তার ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জিকিউ মিডল ইস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাফর জানান, প্রথম পর্বটি আশির দশকের শেষভাগে শেষ হওয়ায় মাইকেলের পরবর্তী সংগীতজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখনো বাকি রয়ে গেছে।

মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো তার বিরুদ্ধে ওঠা শিশুযৌন নিপীড়নের অভিযোগ। যদিও তিনি বরাবরই এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে এসেছেন। ২০০৫ সালে এ সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালত তাকে সব অভিযোগ থেকে খালাস প্রদান করে। স্বাভাবিকভাবেই দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে যে, দ্বিতীয় সিনেমায় এই স্পর্শকাতর ও বিতর্কিত অধ্যায়গুলো কীভাবে চিত্রায়িত করা হবে। জাফর জ্যাকসন মনে করেন, মাইকেলের জীবনকে কেবল বাইরের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার করলে তা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে; তাই শিল্পীর নিজস্ব অনুভূতি ও কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতার প্রতিফলনও সিনেমায় থাকা জরুরি।

জাফরের ভাষ্যমতে, নানা প্রতিকূলতা ও আইনি লড়াইয়ের মধ্যেও মাইকেল জ্যাকসন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহানুভূতি অটুট রেখেছিলেন। দ্বিতীয় পর্বে তাই কেবল বিতর্কিত ঘটনা নয়, বরং খ্যাতির আড়ালে থাকা মাইকেলের মানবিক দিক ও ব্যক্তিগত অনুভূতিগুলোও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরার প্রয়াস থাকবে। প্রথম পর্বে যেখানে একজন কিংবদন্তি হয়ে ওঠার সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে, সেখানে দ্বিতীয় পর্বে খ্যাতির শীর্ষে থাকা মাইকেলের জীবনের জটিল ও আলোচিত পর্যায়গুলো দর্শকদের সামনে উন্মোচিত হবে। এই বিতর্কিত বিষয়গুলোকে সিনেমায় উপস্থাপনের কৌশলই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবন ছিল সাফল্য, খ্যাতি ও বিতর্কে ভরা এক দীর্ঘ অধ্যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রথম পর্বের গল্প আশির দশকের শেষদিকে এসে থেমেছে।