৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর

৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঢাকা-বরিশাল-পটুয়াখালী-পায়রা-কুয়াকাটা জাতীয় মহাসড়কের লেবুখালী-বগা-বাউফল-দশমিনা-গলাচিপা সড়কের বগা বন্দরের নিকটবর্তী লোহালিয়া নদীর উপর প্রায় সাড়ে ১২শ মিটার দীর্ঘ ‘৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু’ নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীন সরকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বর্তমান সরকার গঠনের পর চীনের সাথে এটিই প্রথম কোনো উন্নয়ন চুক্তি।

জানা গেছে, এই সেতু নির্মাণের সম্পূর্ণ ব্যয়ভার চীন সরকার অনুদান হিসেবে বহন করবে। তবে, ভূমি অধিগ্রহণ এবং সংযোগ সড়ক নির্মাণের খরচ বাংলাদেশ সরকার বহন করবে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই সেতু নির্মাণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে ২০০২ সালে চীন সরকার বরিশাল-ঝালকাঠি-পিরোজপুর-খুলনা জাতীয় মহাসড়কের গাবখানে ৯৯০ মিটার দীর্ঘ ৫ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ করেছিল। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে একই মহাসড়কের বলেশ্বর নদীর উপর ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুও নির্মাণ করে তারা।

২০১৮ সালে বগায় লোহালিয়া নদীর উপর একটি নতুন সেতু নির্মাণের জন্য চীনের সাথে বাংলাদেশ সরকারের একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও, দীর্ঘ সময় ধরে এই সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর বগা সেতু নির্মাণে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ায় সড়ক অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষভাগ থেকে আগামী মার্চের মধ্যে সেতুটির বাস্তব অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব (বৈদেশিক সহায়তা অধিশাখা) মো. মোকছেদ আলী এবং চীন সরকারের পক্ষে দূতাবাসের কাউন্সেলর সং ইয়াং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত