চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানিয়েছেন, মো. দিদারুল আলম (দিদার) ও তার সহযোগী মোরশেদ ওরফে আখিল মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে খুনের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়তেন। টাকার অঙ্ক কম হলেও ভাড়াটে খুনি হিসেবে বিভিন্ন পক্ষের হয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটাতে তারা দ্বিধা করতেন না। দিদারের বিরুদ্ধে হত্যাসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে এবং এর মধ্যে ছয়টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও ছিল।
সোমবার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, আলোচিত নূরুল আজিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি দিদারকে রোববার দিবাগত রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে চট্টগ্রামে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আরও বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ততার তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরও বলেন, দিদারের সহযোগী মোরশেদ ওরফে আখিলসহ এই অপরাধচক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই চক্রটি এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং ভাড়াটে হামলার সঙ্গেও জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং এসব অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
গত কয়েক দিনের ধারাবাহিক অভিযানে আরও তিনজন চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন পাহাড়তলী এলাকার মাসুদ হত্যা মামলার আসামি দিদার ও আফসার এবং জোরারগঞ্জ থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী বোরহান। অভিযানে তাদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

