জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যারা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করা যেখানে মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
সোমবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ স্কাউটসের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত বাংলাদেশ স্কাউটসের ১০টি শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা পদক ও আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে শহীদদের আত্মত্যাগের ঋণ শোধ করা অসম্ভব উল্লেখ করে বলেন, যারা মহান উদ্দেশ্যে জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় বেঁচে থাকা সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে। তিনি বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে এবং প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় কাজ করতে হবে। সেই সাথে দেশের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি অন্যদেরও এই মহৎ কাজে উৎসাহিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি নাসিমুল গণি শহীদদের অবদান ও আত্মত্যাগের ঘটনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে জাতীয় পাঠ্যক্রমে তাদের ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিনসহ শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ৭১ ও ২৪ -এ যারা দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের লক্ষ্য ছিল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য লড়াই করা, যেখানে মানুষের

