দুই গোলে এগিয়ে থেকেও ব্রাইটনের কাছে বিধ্বস্ত ম্যানইউ

ওল্ড ট্রাফোর্ডে কারাবাও কাপের ম্যাচে নিজেদের মাঠে দুই গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এই হারের ফলে আসর থেকে রেড ডেভিলদের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। দীর্ঘ ৫০ বছর পর ওল্ড ট্রাফোর্ডে দুই গোলের লিড নিয়ে কোনো ম্যাচে এমন তিক্ত পরাজয়ের স্বাদ পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

ম্যাচের শুরুটা ইউনাইটেডের জন্য ছিল বেশ ইতিবাচক। একাডেমি থেকে সুযোগ পাওয়া শিয়া লেসি গোল করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর মেসন মাউন্ট ১০ মিনিটের ব্যবধানে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। তখন মনে হচ্ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি স্বাগতিকদের হাতে। তবে বিরতির ঠিক আগে চারালামপোস কোস্তুলাসের গোল ব্রাইটনের ফেরার ইঙ্গিত দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে সফরকারীদের প্রবল চাপের মুখে ইউনাইটেডের রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে। পাসকাল গ্রস সমতা ফেরানোর পর বদলি খেলোয়াড় ম্যাক্সিম দে কুইপার জয়সূচক গোলটি করেন। ম্যাচ শেষে ওল্ড ট্রাফোর্ডের গ্যালারি থেকে সমর্থকদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়ে দল।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ যুগের সূচনা হওয়ার পর থেকে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ওল্ড ট্রাফোর্ডে দুই গোলের লিড নিয়েও হারার ঘটনা এটিই প্রথম। এর আগে ১৯৭৬ সালে টটেনহ্যামের বিপক্ষে একই স্কোরলাইনে হেরেছিল ইউনাইটেড। বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলে ১৩তম স্থানে থাকা কোচ মাইকেল ক্যারিকের দলের ওপর এই হারের ফলে চাপ আরও বাড়ল। ম্যানচেস্টার সিটির কাছে বিতর্কিত হারের তিন দিনের মাথায় কারাবাও কাপের এই বিদায় মৌসুমের শুরুতেই বড় ধাক্কা হয়ে এল।

প্রিমিয়ার লিগে এ পর্যন্ত খেলা চার ম্যাচে মাত্র এক জয় ও এক ড্র নিয়ে ধুঁকছে ইউনাইটেড। কোচ মাইকেল ক্যারিক বর্তমানে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন, কারণ দলের পারফরম্যান্স এবং রক্ষণভাগের দুর্বলতা নিয়ে সমালোচনা এখন তুঙ্গে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একাডেমি থেকে উঠে আসা শিয়া লেসি প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েই দলকে এগিয়ে দেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু এরপরই ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সফরকারীরা।