বিশ্বকাপ ২০২৬-এর শেষ ষোলোর প্রথম ম্যাচে কানাডাকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে প্রথম দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে মরক্কো। প্রথমার্ধে সহ-আয়োজক কানাডার প্রবল চাপের মুখে পড়লেও বিরতির পর দুর্দান্ত ফুটবল প্রদর্শন করে জয় তুলে নেয় আটলাস লায়ন্সরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই কানাডা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা শুরু করে। ষষ্ঠ মিনিটে জনাথন ডেভিডের শট এবং ১২তম মিনিটে টানি ওলুওয়াসেয়ির জোরালো প্রচেষ্টা দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে মরক্কোকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। ম্যাচের ২২তম মিনিটে চোট পেয়ে ইসমাইল সাইবারি মাঠ ছাড়লে তার পরিবর্তে সুফিয়ান রাহিমি মাঠে নামেন। প্রথমার্ধে রাহিমির একটি শট ছাড়া মরক্কো খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। এছাড়া প্রথমার্ধের শেষ দিকে আচরাফ হাকিমি ও রিচি লারিয়ার মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে উভয় দলের খেলোয়াড়রা হলুদ কার্ড দেখেন। গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতির পর ম্যাচের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যায়। ৫০তম মিনিটে আচরাফ হাকিমির পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া এক দুর্দান্ত নিচু শটে আজেদ্দিন উনাহি মরক্কোকে এগিয়ে দেন। গোল হজমের পর কানাডা সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালালেও মরক্কোর সংগঠিত রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর দৃঢ়তায় তাদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরপর ৮২তম মিনিটে দিয়াজের নিখুঁত পাস থেকে দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে আজেদ্দিন উনাহি নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
ম্যাচের ৮৭তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় সুফিয়ান রাহিমির একটি হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। তবে যোগ করা সময়ের অষ্টম মিনিটে আর ভুল করেননি তিনি। দিয়াজের বাড়ানো পাস ধরে একক প্রচেষ্টায় গোল করে মরক্কোর ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন এই ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয়ার্ধে কৌশলগত পরিবর্তন ও নিখুঁত ফিনিশিংয়ের মাধ্যমে মরক্কো এই জয় তুলে নেয়। জোড়া গোল করে ম্যাচসেরা হয়েছেন আজেদ্দিন উনাহি।

