নিউ জার্সিতে নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে হারের পর ব্রাজিলের পেনাল্টি মিস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই এই ব্যর্থতার দায় খুঁজছেন, যেখানে কোচ কার্লো আনচেলত্তির রণকৌশল নিয়েও সমালোচনা হচ্ছে। তবে এই টুর্নামেন্টে সেলেসাওদের অন্যতম সেরা পারফর্মার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র স্পষ্ট করেছেন যে, পেনাল্টি নেওয়ার জন্য তিনি সবসময়ই প্রস্তুত ছিলেন।
ম্যাচ শেষে ভিনিসিয়ুস বলেন, ম্যাচ শুরুর আগেই কোচ পেনাল্টি কে নেবেন তা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এবং তিনি ব্রুনো গিমারাইসকে বেছে নিয়েছিলেন। ভিনিসিয়ুস আরও যোগ করেন, তার মধ্যে দম্ভ বা সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই, তাই কোচ যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ব্রুনো তার চেয়ে ভালো পেনাল্টি মারে বলেই কোচ তাকে বেছে নিয়েছিলেন, তবে তিনি নিজে কখনোই দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাননি।
নিজের ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান তুলে ধরে ভিনি বলেন, রিয়াল মাদ্রিদে কোচ যখনই তাকে দায়িত্ব দেন, তিনি পেনাল্টি নেন। ক্যারিয়ারে ১৯টি পেনাল্টির মধ্যে ১৩টিতে গোল করেছেন তিনি, যদিও ব্রাজিলের জার্সিতে তিনটি শটের মধ্যে গোল মাত্র একটি। অন্যদিকে, ব্রুনো গিমারাইস ক্যারিয়ারে মাত্র তিনটি পেনাল্টি নিয়েছেন এবং সবগুলোতে গোল করলেও ব্রাজিলের হয়ে মাঠে নামার আগে কখনো পেনাল্টি শট নেননি।
ম্যাচ শেষে কোচ কার্লো আনচেলত্তি ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে, পেনাল্টি নেওয়ার বিষয়টি টেকনিক্যাল স্টাফরা অনেক আলোচনার পরই চূড়ান্ত করেছিলেন। তার দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, নেইমার, ইগর থিয়াগো এবং রাফিনিয়ার পর ব্রুনো গিমারাইসের নাম ছিল। মার্তিনেল্লি ছিলেন তালিকার শেষে। আনচেলত্তি জানান, মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্রুনোকেই সেরা মনে হওয়ায় তাকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
কারণ, এই টুর্নামেন্টে সেলেসাওদের সেরা পারফর্মার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনিও পেনাল্টি নিতে প্রস্তুত ছিলেন।.নিউ জার্সিতে শেষ ষোলোয় নরওয়ের বিপক্ষে ২–১ গোলে হারের পর ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘কোচ ম্যাচ শুরুর আগেই পেনাল্টি কে নেবেন, সেটা ঠিক করে দেন।

