বিশ্বকাপের গ্যালারিতে নজর কাড়ছেন লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন

বিশ্বকাপের আলোচনায় সাধারণত মাঠের তারকাদের দাপট থাকলেও এবার চিত্রটা কিছুটা ভিন্ন। স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের তিন বছর বয়সী ছোট ভাই কেইন মাঠে না নেমেও নিজের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও দুষ্টুমির কারণে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। স্পেনের প্রতিটি ম্যাচেই গ্যালারিতে তাকে দেখা যাচ্ছে, যেখানে তার হাসি, উচ্ছ্বাস, নাচ এবং ক্যামেরার সামনে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো কেইনকে নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। অনেকে তাকে ‘বিশ্বকাপের ক্ষুদে তারকা’ বা ‘স্পেনের গ্যালারি সুপারস্টার’ হিসেবে অভিহিত করছেন। বিশেষ করে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে হারানোর পর মাঠের উদযাপনের চেয়েও গ্যালারিতে কেইনের আনন্দ ও দুষ্টুমি ক্যামেরায় ধরা পড়ে, যা দেখে বড় ভাই লামিন ইয়ামালকেও হাসতে দেখা যায়।

কেইনের পরিচিতি অবশ্য এটিই প্রথম নয়। ২০২৪ সালে স্পেন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর শিরোপা উদযাপনে সে ভাইয়ের সঙ্গে ছিল। একই বছর প্যারিসে ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানেও স্যুট ও স্নিকার্স পরে রেড কার্পেটে সে নজর কেড়েছিল। ইয়ামাল ও কেইনের মা একই হলেও তাদের বাবা আলাদা। বয়সের প্রায় ১৫ বছরের ব্যবধান থাকলেও দুই ভাইয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। ইয়ামাল জানান, ছোট ভাইকে তিনি নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসেন।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে স্পেনের জয়ের পর গ্যালারিতে দুই হাত তুলে কেইনের ‘ভামোস!’ বলে উচ্ছ্বাস প্রকাশের দৃশ্য দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে জন্ম নেওয়া কেইন এখন বিশ্বজুড়ে পরিচিত মুখ। অন্যদিকে, বার্সেলোনার তারকা লামিন ইয়ামাল বিশ্ব ফুটবলের নতুন সুপারস্টার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন। কঠিন বাস্তবতায় বেড়ে ওঠা ইয়ামাল জানান, মায়ের হাসি এবং ছোট ভাইয়ের সুন্দর শৈশব উপভোগ করাই এখন তার সবচেয়ে বড় আনন্দ। মাঠের জাদুতে ইয়ামাল আর গ্যালারির নিষ্পাপ হাসিতে কেইন—এই দুই ভাই এখন কোটি মানুষের ভালোবাসার পাত্র।