স্রষ্টার নির্দেশিত প্রার্থনায় আমরা এই আকুতি জানাই যে, হে আল্লাহ, যদি আমরা কোনো ভুল করি, তবে সেই ভুলের জন্য তুমি আমাদের শাস্তি দিও না। অতীতের জাতিসমূহের উপর যে ধরনের বোঝা চাপিয়েছিলে, তেমন কোনো গুরুভার আমাদের উপর অর্পণ করো না। বরং এমন বোঝা দাও যা আমরা বহন করতে সক্ষম। এই ধরনের আকুতি ও প্রার্থনা আমাদের শেখানো হয়েছে, যা আমরা নিয়মিত করে থাকি।
আমরা এই প্রার্থনা করলেও, বাস্তবে একই ভুল ও অবাধ্যতার পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছি। বারবার একই ধরনের অসঙ্গতিপূর্ণ কাজ করে চলেছি। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন জাগে, তবে কি এই মুনাজাত আমরা আন্তরিকভাবে করছি না? এই প্রার্থনা কি কেবলই মুখের কথা, যা মন থেকে উচ্চারিত হচ্ছে না?
আমরা কি এখনো অন্যের অমঙ্গল কামনা করি? মানবতাকে অবমাননা বা অপমান করার মানসিকতা পোষণ করি? কারো অধিকার বা দাবি হরণে সচেষ্ট থাকি? কিংবা প্রতারণা ও প্রবঞ্চনার পথ খুঁজি? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে হলে আমাদের নিজেদের মধ্যে আত্মজিজ্ঞাসা ও আত্মানুসন্ধান করতে হবে। এর মাধ্যমেই প্রভু নিরঞ্জনের ক্ষমা, ভালোবাসা, প্রেমদর্শন এবং বিপদ থেকে মুক্তি লাভ সম্ভব হবে।
