বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের ঘটনায় গভীর হতাশা ব্যক্ত করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন দেশটির সাবেক তারকা ফুটবলার কাফু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অনুভূতির কথা প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি জানান, এবারের এই বিদায়ের কষ্ট তিনি নতুন করে অনুভব করছেন। এর আগে ১৯৯৮ এবং ২০০৬ সালেও একই ধরনের যন্ত্রণার সম্মুখীন হয়েছিলেন এই কিংবদন্তি।
কাফু তার বার্তায় উল্লেখ করেন যে, এই কষ্ট কেবল মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের জন্য নয়, বরং কোটি কোটি ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের জন্য, যারা জাতীয় দলের জার্সিতে আরও একটি নতুন তারকা যুক্ত হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, ১৯৯৮ সালের হতাশা সত্ত্বেও ব্রাজিল ২০০২ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল। আবার ২০০২ সালে শিরোপা জয়ের পরও ২০০৬ সালে দলটি ব্যর্থতার স্বাদ পেয়েছিল। কাফুর মতে, বিশ্বকাপ জয় কখনোই কেবল ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে না; বরং এটি দলীয় প্রস্তুতি, পারফরম্যান্স এবং বিভিন্ন পরিস্থিতির সমন্বয়ের ফসল।
তিনি আরও বলেন, এবারের আসর থেকে ব্রাজিল হেরে দেশে ফিরছে এবং খেলোয়াড় ও সমর্থক সবাই স্বাভাবিকভাবেই ভীষণ হতাশ, কারণ সবাই শিরোপার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তবে এই ব্যর্থতা তাদের স্বপ্ন দেখা থামিয়ে দিতে পারবে না বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
কাফুর মতে, বারবার ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতাই ব্রাজিলকে বিশ্বের অন্যতম সফল জাতীয় দলে পরিণত করেছে। পাঁচটি বিশ্বকাপ শিরোপায় সমৃদ্ধ হলুদ জার্সিকে তিনি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় জার্সি হিসেবে অভিহিত করেছেন। সবশেষে, তিনি ব্রাজিলের সমর্থকদের দলের সবচেয়ে বড় শক্তি ও অর্জন হিসেবে বর্ণনা করেন। একই সঙ্গে মাথা উঁচু করে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ আবারও আসবে এবং সেই লক্ষ্যেই তাদের এগিয়ে যেতে হবে।

