বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পল্লী বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় এবং সন্ধ্যার পরে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম অস্থিরতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎহীনতায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
উপজেলার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং আরপি বেকারির স্বত্বাধিকারী আলমগীর শেখ জানান, বিদ্যুতের এই অতিরিক্ত লোডশেডিং তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা নাহিদা ইয়াসমিনসহ স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। রাতের বেলা বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না এবং গরমে ঘুমানোর পরিবেশও থাকছে না। এই পরিস্থিতির দ্রুত নিরসনের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে চিতলমারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডিজিএম (অতিরিক্ত) প্রকৌশলী মো. শাহ্আলম জানান, এই উপজেলায় প্রায় ৪৩ হাজার গ্রাহকের জন্য ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে দিনে ও রাতে ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৫ থেকে ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহের ঘাটতি থাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সমস্যাটি সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ৫৭আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ১২

