নিউইয়র্কে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে স্পেন ১-০ ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জয় করে। তবে ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পরপরই দুই দলের খেলোয়াড়রা সরাসরি সংঘাত ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একাধিক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রাই এই ঘটনার সূত্রপাত করেছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে যে, আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্প্যানিশ মিডফিল্ডার এরিক গার্সিয়াকে ঘুষি মেরেছেন ও তার গলা চেপে ধরেছেন। এছাড়া তরুণ তারকা গাভিকে আছড়ে মাটিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনার শৃঙ্খলার অভাব প্রকট ছিল, যার প্রমাণ হিসেবে এনজো ফার্নান্দেজকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় এবং দলটিকে মোট ৬টি হলুদ কার্ড পেতে হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল যে, সহিংস আচরণের জন্য রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ পারেদেসকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন। তবে ফিফা পরবর্তীতে জানায়, কমেন্টেটর ডেটা সিস্টেমে ভুলবশত লাল কার্ডের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং তা দ্রুত সংশোধন করা হয়। পারেদেসকে অন্তত ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে বলে গুঞ্জন থাকলেও, স্পেনের তরুণ তারকা গাভি এমন শাস্তির বিপক্ষে মত দিয়েছেন।
স্প্যানিশ মাধ্যম ‘এল পার্তিদাসো দে কোপ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাভি বলেন, ‘সততার সঙ্গে বলতে গেলে আমি মনে করি না যে তাকে বহিষ্কার করা উচিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি বুঝি যে এটি ছোট বাচ্চাদের জন্য খুব ভালো কোনো বার্তা নয়, তবে ফুটবলে শারীরিক সংঘাত ও আক্রমণাত্মক দিক থাকেই। ম্যাচ চলার সময়ে তাকে লাল কার্ড দেওয়া যুক্তিযুক্ত ছিল, ব্যস ওটুকুই। শেষ পর্যন্ত এটা ফুটবল, এটি এমনই থাকা উচিত।’

