সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে এই শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত আছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং রিটকারীদের পক্ষে অংশ নিয়েছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির ও ড. শরীফ ভূঁইয়া।
এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর পৃথক দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে তিনটি পৃথক আপিল করা হয়েছে। এর মধ্যে সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদকসহ চার ব্যক্তি, নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আপিলগুলো দায়ের করা হয়েছে। আপিল তিনটি আজ আদালতের কার্যতালিকায় ছিল।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১৩ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই শুনানিতে আবেদনের পক্ষে ড. শরীফ ভূঁইয়া এবং রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক শুনানি করেছিলেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০১১ সালের ৩০ জুন পঞ্চদশ সংশোধনী আইন জাতীয় সংসদে পাস করেছিল, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপসহ সংবিধানের ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। হাইকোর্টের রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরার পথ তৈরি হলেও কিছু আইনি জটিলতা থাকায় এই আপিলগুলো করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক।প্রসঙ্গত, পৃথক দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ অসাংবিধানিক ও বাতিল করে রায় দেন।১৫ বছর আগে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনেছিল

