বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারত সরকার 'হাসিনা কার্ড' খেলছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ভারতের বাংলাদেশ নীতির পরাজয় ঘটলেও দেশটির নীতিনির্ধারকেরা তা থেকে কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেননি। ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারত কার্যত দ্বিমুখী নীতি অবলম্বন করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সাইফুল হকের ভাষ্যমতে, মোদি সরকার একদিকে ভ্রাতৃত্বের বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশকে চাপে রাখতে হাসিনা কার্ড ব্যবহার করছে।
শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত জুলাই শহীদ স্মরণ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আবু হাসান টিপু এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাশিদা বেগম ও সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট নিয়ে সাইফুল হক বলেন, শহীদেরা একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমাজের আকাঙ্ক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। কোনো বিশেষ শক্তি বা গোষ্ঠীর সংকীর্ণ এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য তারা জীবন দেননি। তিনি আরও যোগ করেন, যারা এই গণঅভ্যুত্থানকে প্যাটেন্ট করার চেষ্টা করছেন, তারা এর মূল চেতনা ধারণ করতে পারেননি এবং তাদের উদ্দেশ্য ভালো নয়।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গত দুই বছরে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে, সেইসাথে চাকুরিচ্যুতি ও কর্মহীনতা বেড়েছে। মানুষের জীবন-জীবিকা এখনও নিরাপদ নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো ঘোষিত হলেও শ্রমিকদের জন্য জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন না হওয়ার বিষয়টিও তিনি ক্ষোভের সাথে উল্লেখ করেন।
জ্বালানি সংকটের বিষয়ে সাইফুল হক বলেন, বিদেশনির্ভর জ্বালানি নীতির কারণেই দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট ঘনীভূত হয়েছে। এই সংকট উত্তরণে বাপেক্সসহ দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান।
বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারত সরকার হাসিনা কার্ড খেলছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ভারতের বাংলাদেশ নীতির পরাজয় ঘটলেও তা থেকে ভারতের নীতিনির্ধারকেরা কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেনি। ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণে
সাইফুল হক আরো বলেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শহীদেরা একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমাজের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, বিশেষ কোনো শক্তি বা গোষ্ঠীর সংকীর্ণ এজেন্ডা বাস্তবায়নে তারা জীবন বিলিয়ে দেননি। ২৪-এর এই অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানে মালিকানা প্রতিষ্ঠায় যারা এটাকে প্যাটেন্ট করার চেষ্টা করছেন তারা এই অভ্যুত্থান

