মানবসভ্যতার ইতিহাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক অভূতপূর্ব শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা একইসাথে কল্যাণ ও অকল্যাণের বিশাল সম্ভাবনা ধারণ করে। এর আগে এমন কোনো মাধ্যম দেখা যায়নি যা এত ব্যাপক পরিসরে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় প্রভাব ফেলতে সক্ষম। এই মাধ্যম একদিকে যেমন জ্ঞান, তথ্য, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তেমনই অন্যদিকে এটি গুজব, অপতথ্য, প্রতারণা এবং ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর চরিত্রহননের মতো ক্ষতিকর কার্যকলাপেরও ক্ষেত্র তৈরি করে।
এই দ্বৈত প্রকৃতির কারণে ক্ষতিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি কেবল অমূলক প্রশ্ন নয়, বরং এটি একটি বাস্তব ও অত্যন্ত গুরুতর রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে, ‘ক্ষতিকর’ কী এবং এর সংজ্ঞা কে নির্ধারণ করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়, যা এই নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তোলে।
