স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন ও সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে জোটসঙ্গীদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জোটসঙ্গীদের বৈঠক ও নৈশভোজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে প্রার্থী দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই এই বিষয়টি নিয়ে এখন আলোচনার প্রয়োজন না থাকলেও জোটের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি পারস্পরিক আলোচনার ওপর জোর দেন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচার ও হাসিনা সরকারকে হটিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাতে জীবন বাজি রাখা শহিদদের তিনি স্মরণ করেন। দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর ধরে যারা একসঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন, তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ ও মতবিনিময় সভায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল। এই দীর্ঘ সময়ে অনেকে কারাবরণ, মামলা, গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মির্জা ফখরুল জানান, প্রধানমন্ত্রী জোটের শরিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেছেন। সরকার গঠনের শুরুতে এসব রাজনৈতিক দলের ভূমিকা ও সংসদীয় দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে নির্বাচনে জয়লাভের জন্য প্রধানমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

সরকার গঠনের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ গড়ার কাজ শুরু হয়েছে। বিগত সময়ে অর্থনীতি ধ্বংস, ব্যাংকিং খাতে লুটপাট ও সব প্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী এখন সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় গড়ে তোলার কাজ করছেন। এছাড়া ৩১ দফা কর্মসূচি সর্বশক্তি দিয়ে বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদের প্রতিটি শর্ত অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জোটসঙ্গীদের বৈঠক ও নৈশভোজ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সঙ্গে যারা ছিলেন, যারা একসঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর, তাদের নেতৃবৃন্দকে তিনি আহ্বান জানিয়েছিলেন আজকে কথা বলার জন্য, তাদের সঙ্গে একসঙ্গে একটু সামান্য কিছু ডাল-ভাত খাওয়ার জন্য। দীর্ঘ ১৫ বছরে যখন একসঙ্গে আন্দোলন করেছি, সেই সব দল

কন্টেন্ট: সংগৃহীত