২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল লড়াইয়ের প্রস্তুতি শেষে নিজেদের প্রধান ঘাঁটি কানসাস সিটিকে বিদায় জানিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে শেষ অনুশীলন সেশনটি সম্পন্ন করার পর, দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি তার ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শহরটির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সোমবার পোস্ট করা চারটি ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, ‘কানসাস সিটিতে আমাদের শেষ অনুশীলন! সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ।’ তার এই সংক্ষিপ্ত অথচ আবেগঘন বার্তাটি গত কয়েক মাসে আর্জেন্টিনা দলের সঙ্গে শহরটির গড়ে ওঠা নিবিড় সম্পর্কের প্রতিফলন।
মেসির পদাঙ্ক অনুসরণ করে দলের ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজও কানসাস সিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ কানসাস! আমাদের যাত্রা এখনও অব্যাহত আছে।’ উল্লেখ্য যে, বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতির জন্য গত ৩১ মার্চ আর্জেন্টিনা দল কানসাস সিটিতে পৌঁছায়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে শহরটি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের অনুশীলন ও প্রস্তুতির মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল।
কানসাস অধ্যায় শেষ করে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এখন আটলান্টার পথে যাত্রা করেছে। আগামী বুধবার মার্সিডিজ-বেনজ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচের ফলাফলই নির্ধারণ করবে মেসিদের পরবর্তী গন্তব্য। যদি তারা ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠতে পারে, তবে আগামী ১৯ জুলাই শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ের জন্য তাদের যেতে হবে নিউইয়র্কের নিউজার্সিতে।
অন্যদিকে, সেমিফাইনালে পরাজয় বরণ করলে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে মেসিদের যেতে হবে মায়ামিতে। তবে আপাতত মায়ামিতে ফেরার কথা ভাবছেন না মেসি। তার পুরো মনোযোগ এখন ইংল্যান্ডকে হারিয়ে নিউইয়র্কের ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাওয়া সেই ঐতিহাসিক জয়ের উত্তরাধিকার ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েই আটলান্টায় মাঠে নামবেন মেসি ও তার সতীর্থরা।
২০২৩ সালে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সপরিবারে সেখানেই বসবাস করছেন ৩৯ বছর বয়সী এই ফুটবল কিংবদন্তি।তবে আপাতত মায়ামিতে ফেরার কথা ভাবছেন না মেসি।

