সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উত্থাপন করেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
আখতার হোসেন বলেন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের পূর্ণাঙ্গ বিচার নিশ্চিত করতে এবং স্বৈরাচারী ব্যবস্থার পুনরুত্থান রোধ করতে সাবেক এই রাষ্ট্রপতিকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা জরুরি। তিনি দাবি করেন, মো. সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগপত্রে অসুস্থতার যে বয়ান তৈরি করেছেন, তা মূলত তাকে একটি 'সেফ এক্সিট' বা নিরাপদ প্রস্থান দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টির অপপ্রয়াস।
সংবাদ সম্মেলনে দলটির সদস্য সচিব আরও বলেন, জুলাই গণহত্যার পরেও যদি মো. সাহাবুদ্দিন ছাড় পেয়ে যান, তবে বর্তমান সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ হবে। তাই তাকে গ্রেপ্তারের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সোপর্দ করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাষ্ট্রপতি পদে আসীন থাকার কারণে এতদিন তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব না হলেও, পদত্যাগের পর তার দায়মুক্তির আর কোনো সুযোগ নেই।
আখতার হোসেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতিকে ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তিনি যদি বিচারের আওতায় না আসেন, তবে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারীদের বিচার অপূর্ণাঙ্গ থেকে যাবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, রাষ্ট্রপতি পদে থাকা অবস্থায় সংঘটিত গণহত্যার বিষয়টি বন্ধ করতে মো. সাহাবুদ্দিন কোনো পদক্ষেপ নেননি, বরং তিনি শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতি সমর্থন দিয়ে গেছেন।
এ সময় তিনি বিএনপির উদ্দেশ্যে বলেন, যদি দলটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে, তবে তাদের উচিত দ্রুত সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তিনি বলেন, “এই সাহাবুদ্দিন একজন ফ্যাসিবাদের দোসর, একজন ফ্যাসিস্ট। তিনি যদি বিচারের আওতায় না আসেন, তাহলে ২৪-এর অভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন তাদের বিচার অপূর্ণাঙ্গ থেকে যাবে। এ কারণে আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, এতদিন পর্যন্ত হয়তো তিনি রাষ্ট্রপতি পদে আসীন থাকার কারণে তার ব্যাপারে আইনগত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হ

