পাবনা-ঢাকা আন্তঃনগর রুটে নতুন করে চালু হওয়া 'পাবনা এক্সপ্রেস' ট্রেনটির ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশনে প্রবেশ ও যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে 'ঈশ্বরদী জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকা'। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও রেলমন্ত্রীর কাছে এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি আশরাফ আলী খান মঞ্জু বলেন, ঈশ্বরদী ও পাবনা শহর একই জেলার গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। প্রতিদিন ঢাকা থেকে খুলনা এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর হাজার হাজার যাত্রী ঈশ্বরদী জংশন ব্যবহার করে যাতায়াত করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কারণে ঈশ্বরদী বর্তমানে একটি ব্যস্ততম ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। ফলে জংশনে ট্রেনটি থামলে এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব হবে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল আলম বলেন, চলতি মাসেই পাবনা-ঢাকা রুটে পাবনা এক্সপ্রেসের চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। সমগ্র জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নতির কথা বিবেচনা করে ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশনে প্রবেশ করানো অত্যন্ত যৌক্তিক। তিনি জানান, ঈশ্বরদী জংশন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকায় যাত্রীরা এখান থেকে ট্রেন পরিবর্তন করে নিরাপদে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। এছাড়া, ট্রেনটি এই জংশনে যাত্রাবিরতি দিলে রেলওয়ের রাজস্ব আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

