২৮৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। জয়ের জন্য লক্ষ্য ছিল ২৮৮।
২৮৮ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে অজিরা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই রাবাদা জোড়া আঘাত হেনে ম্যাট রেনশ (০) ও মার্নাস লাবুশেনকে (৪) সাজঘরে ফেরান।
সাইমন হারমারের ঘূর্ণি এবং কাগিসো রাবাদার বিধ্বংসী পেস বোলিংয়ের সামনে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা।
এই বড় জয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ২-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে। দাপুটে এ জয়ে অস্ট্রেলিয়াকে টপকে আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে গেছে প্রোটিয়ারা।
- ইনিংসের শুরুতে কাগিসো রাবাদা জোড়া আঘাত হেনে ম্যাট রেনশ ও মার্নাস লাবুশেনকে সাজঘরে ফেরান।
- কিছুক্ষণ পর ট্রাভিস হেডকেও প্যাভিলিয়নের পথ দেখান রাবাদা।
- মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া অস্ট্রেলিয়া আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি; জশ ইংলিস, অ্যালেক্স কেরি এবং কুপার কনোলিরা দ্রুত বিদায় নেন।
- এর ফলে দলীয় ৪২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারী দলটি।
- পরবর্তী সময়ে স্পিনার সাইমন হারমারের তোপের মুখে পড়ে অজিদের বাকি ব্যাটাররা দ্রুত সাজঘরে ফিরতে থাকেন।
- মিচেল স্টার্ক ও ক্যামেরন গ্রিন কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা চালালেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।
- শেষদিকে প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়ন নবম উইকেটে ৪৫ রানের জুটি গড়ে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন।
- অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ৯০ বলে ১১ রান করেন।
- পুরো দল ৫৭.১ ওভারে মাত্র ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায়।
ম্যাচ ও সিরিজ পরিসংখ্যান
- দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোর: ৩২৯/১০ ও ৩৮৭/১০।
- অস্ট্রেলিয়া স্কোর: ৪২৯/১০ ও ১১১/১০ (৫৭.১ ওভার)।
- ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স: নাথান লায়ন ৩৩*, ক্যামেরন গ্রিন ২৭, ট্রাভিস হেড ১৪, প্যাট কামিন্স ১১ রান।
- বোলিং নৈপুণ্য: সাইমন হারমার ২১.১ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট এবং কাগিসো রাবাদা ১৪ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট।
- ম্যাচের ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ১৭৬ রানে জয়ী।
- সেরা খেলোয়াড়: ম্যাচসেরা হয়েছেন সাইমন হারমার এবং সিরিজ সেরা হয়েছেন মার্কো ইয়ানসেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- বিদায় করেন তিনি। মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া অস্ট্রেলিয়া আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। জশ ইংলিস (৪), অ্যালেক্স কেরি।
- ও নাথান লায়নের (অপরাজিত।

