অস্ট্রেলিয়ার টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি: সেমিফাইনালে ভিক্টোরিয়ার কাছে হেরে বিদায় বাংলাদেশ এইচপির

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আয়োজিত টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হলো না বাংলাদেশ হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের। ডারউইনের গার্ডেন ওভালে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমির কাছে ১ উইকেটের নাটকীয় পরাজয় বরণ করে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে ইরফান শুক্কুরের নেতৃত্বাধীন দলটি। গত আসরের রানার্সআপ বাংলাদেশ এইচপি এবার শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও শেষ চারে এসে ব্যাটিং ব্যর্থতায় তাদের যাত্রা থেমে গেল।

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। দলের অধিনায়ক ও উইকেটকিপার-ব্যাটার ইরফান শুক্কুর আবারও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন; টুর্নামেন্টে খেলা ৬ ম্যাচের মধ্যে চারবারই এক অঙ্কের রানে আউট হওয়া এই ব্যাটার সেমিফাইনালে কোনো রান করার আগেই সাজঘরে ফেরেন। দলীয় ২৬ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর জিসান আলম ৩০ এবং আরিফুল ইসলাম ১৯ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে এরপর আর কোনো ব্যাটার বড় জুটি গড়তে পারেননি। আবদুল গাফফার সাকলাইন ১০ ও আবু হায়দার রনি ১২ রান করলেও সাব্বির রহমান ও শামিম পাটোয়ারির মতো অভিজ্ঞরা প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন। ফলে ১৭.১ ওভারে মাত্র ১০১ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ভিক্টোরিয়ার হয়ে উইল সাদারল্যান্ড একাই চারটি উইকেট শিকার করেন।

১০২ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভিক্টোরিয়া শুরুতেই চাপে পড়ে। দলীয় ১ রানেই তারা প্রথম উইকেট হারায় এবং নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। বাংলাদেশের বোলাররা জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন। রহস্য স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল ৩টি এবং শামিম পাটোয়ারি ২ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। তবে ভিক্টোরিয়ার ব্যাটার ক্যাম্পবেল ক্যালাওয়ের ২৩ রানের ইনিংসটি জয়ের পথে বড় ভূমিকা রাখে। শেষ পর্যন্ত ২ বল হাতে রেখেই ১ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমি। ২০২৪ সালের প্রথম আসরে রানার্সআপ হওয়া বাংলাদেশ এইচপি এবার সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরের জন্য ম্যাচটি ছিল হতাশার আরেকটি অধ্যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য খুব একটা খারাপ ছিল না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২.৪ ওভারে দলীয় সংগ্রহ ২৬ রান হলেও এরপরই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান মাত্র ৩ রান করে আউট হন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জিসান করেন ৩০ রান, আরিফুলের ব্যাট থেকে আসে ১৯। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু তাদের বিদায়ের পর আর কোনো জুটি দাঁড়াতে পারেনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আবদুল গাফফার সাকলাইন ১৬ বলে ১০ এবং আবু হায়দার রনি ১৮ বলে ১২ রান করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারও খেলতে পারেনি বাংলাদেশ এইচপি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আরও তিনজন বোলার দুটি করে উইকেট শিকার করেন।