ভারতীয় দলের অভিজ্ঞ তারকা পেসার মোহাম্মদ শামি আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ঠিক ১৩ বছর আগে ৬ই নভেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইডেন গার্ডেন্সে তার সাদা পোশাকে পথচলা শুরু হয়েছিল। কাকতালীয়ভাবে একই তারিখে এসে তিনি এই দীর্ঘ সংস্কৃতির ফরম্যাট থেকে চিরতরে বিদায় নিলেন। তার ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচটি ছিল ২০২৩ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। কাকতালীয়ভাবে, ১৩ বছর পর সেই একইদিনে লাল বলের ফরম্যাটকে চিরতরে বিদায় জানালেন এই ডানহাতি পেসার।
জাতীয় দলের হয়ে শামি ৬৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। ২৭.৭১ গড়ে ২২৯টি উইকেট শিকারের পাশাপাশি ৬ বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন তিনি। চোট ও নির্বাচকদের অবহেলার কারণে গত ১২ মাস ধরে তাকে টেস্ট দলের বাইরে রাখা হয়েছিল, যদিও বাংলার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করে গেছেন এই ডানহাতি বোলার। ভারতের হয়ে ৬৪টি টেস্ট খেলে ২৭.৭১ গড়ে ২২৯ উইকেট শিকার করেছেন এ ডানহাতি পেসার, যার মধ্যে রয়েছে ৬টি পাঁচ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব। শেষ ১২ মাসেই ওর দলে থাকা উচিত ছিল।’।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বিদায়ী বার্তায় শামি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে লেখেন, ভারাক্রান্ত মনে অজস্র সুন্দর স্মৃতি নিয়ে তিনি টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছেন। দেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন নিয়ে প্রতিটি উইকেট ও লড়াইয়ের স্মৃতি তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।
শামির অবসরের এই সিদ্ধান্তে বেজায় চটেছেন ভারতের সাবেক কোচ ও কিংবদন্তি রবি শাস্ত্রী। তিনি খোলাখুলিভাবে বিসিসিআই নির্বাচকদের সমালোচনা করে বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তার বিশ্বাস, শামির হাতে আরও অন্তত ৩০ থেকে ৪০টি টেস্ট উইকেট ছিল। শাস্ত্রী আরও যোগ করেন, ফিটনেসের দোহাই দিয়ে শামিকে উপেক্ষা করার কোনো মানে হয় না। জিমে ঘাম ঝরানোর চেয়ে মাঠে টানা ১৫-২০ ওভার বল করতে পারাটাই আসল ফিটনেস, যা তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রমাণ করেছেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল শামীর ঝুলিতে আরও ৩০ থেকে ৪০টি টেস্ট উইকেট বাকি ছিল। শামীর ফিটনেস নিয়ে চলা সমালোচনার কড়া জবাব দিয়ে শাস্ত্রী আরও বলেন, ‘জিমে ফিট থাকার মানে কী, যদি আপনি ম্যাচে ১০-১২ ওভার বলই করতে না পারেন।

