তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে স্বাগতিক পাকিস্তান। লঙ্কানদের দেয়া ১৮৩ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৭ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে তারা। এই জয়ের ফলে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান দল। নতুন অধিনায়কের অধীনে এটিই পাকিস্তানের প্রথম জয়।
ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। নির্ধারিত ওভারে তারা সংগ্রহ করে ১৮২ রান। লঙ্কান ওপেনার লাহিরু উদারা ৫৫ বলে ৯১ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস খেলেন, যার মধ্যে ছিল ১১টি চার ও ১টি ছক্কা। এছাড়া কামিন্দু মেন্ডিস ২৩ ও দাসুন শানাকা ১৮ রান করে দলের রান দুইশ’র কাছাকাছি নিয়ে যেতে সাহায্য করেন। পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে নাসিম শাহ বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন এবং ৩টি উইকেট শিকার করেন। ৫৫ বলে ১১ চার ও ১ ছক্কায় তিনি খেলেন ৯১ রানের অনবদ্য এক ইনিংস।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান শুরু থেকেই দারুণ আত্মবিশ্বাস দেখায়। ওপেনার ও অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহান মাত্র ৫৩ বলে ১০টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৮৯ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস উপহার দেন। তার সঙ্গে ফখর জামানের উদ্বোধনী জুটি এবং পরবর্তীতে মাজ সাদাকাতের সঙ্গে ৫২ বলে ৯২ রানের জুটি জয়ের পথ সহজ করে দেয়। মাজ সাদাকাত নিজেও একটি চমৎকার হাফসেঞ্চুরি (৫০ রান) তুলে নেন। পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে আনুষ্ঠানিক অভিষেক ম্যাচেই দারুণ এক জয় পেল পাকিস্তান।
যদিও ইনিংসের শেষ ভাগে পাকিস্তান দ্রুত কিছু উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল, তবুও তারা লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে দলটি কাঙ্ক্ষিত জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। ব্যাট এবং বল উভয় বিভাগে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পাকিস্তান সিরিজের প্রথম ম্যাচে আধিপত্য বজায় রাখল। বল ও ব্যাট উভয় ক্ষেত্রেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে জয় দিয়ে নিজেদের নতুন অধ্যায় শুরু করল পাকিস্তান দল।

