শক্তিশালী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ভোক্তা পর্যায়ে ব্যয় বৃদ্ধির সুবাদে সিঙ্গাপুরে কর আদায়ের পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজস্ব কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৯৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার কর হিসেবে সংগৃহীত হয়েছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই আয়ের প্রবৃদ্ধি ৯ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০০২ সালের পর থেকে এটিই দেশটির ইতিহাসের সর্বোচ্চ কর আদায়ের রেকর্ড। চলতি অর্থবছরে সংগৃহীত এই অর্থ সরকারের মোট পরিচালন রাজস্বের প্রায় ৭৪ দশমিক ৮ শতাংশ এবং সিঙ্গাপুরের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১২ দশমিক ৩ শতাংশের সমান।
রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে করপোরেট আয়কর শীর্ষে রয়েছে। গত অর্থবছরে এই খাত থেকে সরকার ৩৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার আয় করেছে, যা আগের বছরের ৩০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বেশি। মোট কর আদায়ের ৩৫ দশমিক ৪ শতাংশই এসেছে করপোরেট আয়কর থেকে। এছাড়া কর আদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) থেকে ২১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা আগের বছরের ২০ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বেশি। দেশটির কর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোক্তাদের ব্যয় বৃদ্ধিই এই খাতে রাজস্ব বাড়ার মূল কারণ।
সম্পত্তি সংক্রান্ত খাত থেকেও সিঙ্গাপুর সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব আহরণ করেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সম্পত্তি কর থেকে ৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার এবং স্ট্যাম্প ডিউটি থেকে আরও ৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। এই কর প্রবৃদ্ধি সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিতে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের গতিশীলতা এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদার শক্তিশালী অবস্থানের প্রতিফলন। করপোরেট আয়, ভোগব্যয় ও সম্পত্তিসংশ্লিষ্ট খাতের এই সাফল্য দেশটির সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে আরও সুসংহত করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিন বছর পর যুক্তরাজ্যে কমল বাড়ির দাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০২৮ সালের মধ্যে ডেরিভেটিভ চালুর পরিকল্পনা ডিএসইর।

