পশ্চিমবঙ্গের মসজিদে মাইক খোলা নিয়ে সংখ্যালঘুদের মধ্যে বাড়ছে অসন্তোষ

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মসজিদ থেকে মাইক খুলে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দানা বেঁধেছে। সংখ্যালঘু জনপ্রতিনিধিদের একাংশ অভিযোগ করেছেন যে, ধর্মীয় আবেগকে লক্ষ্যবস্তু করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, শব্দ দূষণের অজুহাত দেখিয়ে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পুরোনো নির্দেশিকা কার্যকর করার নাম করে জোরপূর্বক মসজিদ থেকে মাইক সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।

এই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন মুর্শিদাবাদের তিন সাংসদ। তারা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধর্ম আমাদের জীবনযাত্রার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তিনি আরও জানান, তারা মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি অবহিত করেছেন এবং প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হবেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের তিন সংখ্যালঘু এনসিপিআই সাংসদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, সুপ্রিম কোর্টের শব্দ দূষণ সংক্রান্ত আইন মেনে যদি মাইক বাজানো হয়, তবে তাতে সমস্যা কোথায়? তাদের দাবি, নির্দিষ্ট কোনো ধর্মকে যেন টার্গেট করা না হয়। তারা স্পষ্ট করেছেন, যদি আইন প্রয়োগ করতেই হয়, তবে তা সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই সমানভাবে কার্যকর হওয়া উচিত।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত