বিগত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতকে অবহেলা করা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গত ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে চরম অবহেলার মধ্যে রেখেছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ২৯ আগস্ট শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই অভিযোগ করেন। হাসপাতালটির বর্তমান নাজুক পরিস্থিতি ও অব্যবস্থাপনা দেখে মন্ত্রী তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চিকিৎসাসেবার মান, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালে পাঁচ বছর আগের একটি জেনারেটর অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে, যা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়। এছাড়া হাসপাতালের সক্ষমতা ও রোগীর সংখ্যার মধ্যে বিশাল বৈষম্যের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, যেখানে ১০০ জনের জন্য কোড নম্বর বরাদ্দ থাকে, সেখানে আড়াইশ রোগী সেবা নিতে আসেন।

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ইতোমধ্যে পাঁচজন নতুন চিকিৎসককে পদায়ন করা হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যসেবা আরও গতিশীল করতে মেডিকেল কলেজের জন্য ৫০টি এবং সদর হাসপাতালের জন্য ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের এই অবহেলা কাটিয়ে উঠতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে ৫ বছর আগের একটি জেনারেটর ফেলে রেখেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইতোমধ্যে ৫ জন ডাক্তার এখানে পদায়ন করেছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার আকস্মিক পরিদর্শনের খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব, জেলা প্রশাসক ড। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাভেদ জিল্লুল বারী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হকসহ কর্মকর্তারা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আজ আমি নির্দেশনা দিয়েছি এটি খুলে দেখার জন্য, যেন কাজে লাগানো যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিভিন্ন খাত থেকে প্রচুর লুটপাট করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।