টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে আছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। সাউথ্যাম্পটনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৪২ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ইংল্যান্ডকে এনে দিলেন ১১৯ রানের বিশাল জয়। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংলিশরা। আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৫৪ রানের পাহাড় গড়ে ইংল্যান্ড, বিপরীতে ১৯ ওভারে ১৩৫ রানেই অলআউট হয়ে যায় লঙ্কানরা।
ম্যাচের শুরুর পাঁচ বলে মাত্র ৫ রান নিয়ে কিছুটা ধীরগতিতে শুরু করেছিলেন ব্রুক। কিন্তু পঞ্চম ওভারে দুনিথ ওয়েলালাগের বলে তিনটি করে চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে একাই ৩০ রান তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। এরপর আগ্রাসন আরও বাড়িয়ে মাত্র ২০ বলে ব্যক্তিগত ফিফটি স্পর্শ করেন। ১৭তম ওভারে দাসুন শানাকাকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৯০-এর কোঠায় পৌঁছান এবং পরের ওভারে ৪২ বলে পূরণ করেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১০ চার ও ৬ ছক্কায় ৪৯ বলে ১১৪ রানে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার।
ইংল্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে এটি যৌথভাবে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগে ২০২১ সালে লিয়াম লিভিংস্টোন ৪২ বলে এবং গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফিল সল্ট ৩৯ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছিলেন। আগের দুই টি-টোয়েন্টি ইনিংসেও ব্রুক যথাক্রমে ৭৯ ও ৯৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। এবারের সেঞ্চুরির দিনে জস বাটলারও ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন, তিনি করেন ৮০ রান। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনের ১২৮ রানের জুটিই ইংল্যান্ডের বড় সংগ্রহ নিশ্চিত করে।
এর আগে গত জুলাই মাসে ভারতের বিপক্ষে সিরিজে সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েও ৯৫ রানে অপরাজিত থাকতে হয়েছিল ব্রুককে। সাউথ্যাম্পটনের সেই মাঠেই এবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আর কোনো আক্ষেপ রাখলেন না তিনি। রান তাড়ায় নেমে লঙ্কান ব্যাটাররা ইংলিশ বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি, ফলে বড় ব্যবধানে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে সফরকারীদের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত জুলাইয়ে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৫ বলে ৯৫ রানে অপরাজিত ছিলেন ব্রুক।
